kalerkantho

শুক্রবার । ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৫ রবিউস সানি          

নৌকার প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন

ডুমুরিয়ায় সন্ত্রাসীদের আনাগোনা বেড়েছে

খুলনা অফিস   

২৭ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘ডুমুরিয়া এক সময়ের সন্ত্রাসকবলিত এলাকা। নির্বাচনকে সামনে রেখে সন্ত্রাসীদের আনাগোনা বেড়েছে।’ গত সোমবার দুপুরে খুলনা প্রেস ক্লাবের হুমায়ূন কবির বালু মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন মো. মোস্তফা সরোয়ার। তিনি ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী।

মোস্তফা সরোয়ার আরো বলেন ‘স্থানীয় একটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চরমপন্থী দলের সদস্য ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তিনিসহ একাধিক চরমপন্থী এলাকায় নিরীহ মানুষকে হুমকি দিচ্ছে। এমন কী আমি চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। সরকার সুষ্ঠু নির্বাচন চায়। কিন্তু, একটি পক্ষ সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার ষড়যন্ত্র করছে।’

সরোয়ার অভিযোগ করেন, সংসদ সদস্যের (এমপি) অনুসারীরা নৌকা প্রতীকের প্রার্থীদের মাঠে নামতে দিচ্ছে না। বিভিন্ন স্থানে পোস্টার ছিঁড়ে ফেলছে। কেন্দ্রে এজেন্ট না হতে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তাই, এই উপজেলায় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোস্তফা সরোয়ার আরো জানান, নির্বাচনী বোর্ডের মাধ্যমে তিনি আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে দলের মনোনয়ন পেয়েছেন। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা নৌকা প্রতীকের পক্ষে মাঠে কাজ করছেন। একটি পক্ষ চাননি তিনি (সরোয়ার) মনোনয়ন পাক। স্থানীয় এমপি উপজেলা কমিটির সভাপতি হিসেবে যশোরে বিশেষ বৈঠক করে তাঁর অনুসারীদের নৌকার বিপক্ষে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন। এ ছাড়া এমপির ছেলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বিশ্বজিৎ চন্দ্র চন্দও এলাকায় এসে নৌকার বিপক্ষে প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছেন। তাঁদের ইন্ধনে চুকনগর, খর্নিয়ায় আওয়ামী লীগকর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে। এ অবস্থায় সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

চেয়ারম্যান প্রার্থী মোস্তফা সরোয়ার প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, নৌকা বিরোধীদের আস্থাভাজনদের নির্বাচনী গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে দেওয়া হয়েছে। তাই ওই তালিকা বাতিল করে নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের নির্বাচনে দায়িত্ব দেওয়া হোক।

অভিযোগ প্রসঙ্গে খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নারায়ণ চন্দ্র চন্দ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘নির্বাচনী আইন অনুযায়ী আমার নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণার সুযোগ নেই। আর নৌকার বিরোধিতা করার প্রশ্নই আসে না।’

রিটার্নিং অফিসার ও সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এম মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা এখনো এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাইনি।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা