kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

গাইবান্ধায় বিদ্রোহীদের দাপটে চিন্তায় আ. লীগ

গাইবান্ধা প্রতিনিধি   

১৩ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গাইবান্ধার পাঁচ উপজেলায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন আটজন। তাঁরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় বিদ্রোহীদের দাপটে কিছুটা দুঃশ্চিন্তায় রয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা। জেলায় একমাত্র পলাশবাড়ী উপজেলায় আওয়ামী লীগের কোনো বিদ্রোহী প্রার্থী নেই।

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পিয়ারুল ইসলামকে। এ উপজেলায় বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শাহ সারোয়ার কবীর। বাংলাদেশের প্রথম স্পিকার শাহ আব্দুল হামিদের নাতি হিসেবে শাহ সারোয়ার কবীর নির্বাচনে অনেকটা গুরুত্ব পাচ্ছেন। ফলে আওয়ামী লীগের মূল প্রার্থী হিসাব-নিকাশ করে এগোচ্ছেন বলে জানা গেছে।

সাদুল্যাপুরে নৌকা প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাহারিয়া খান বিপ্লব। এ উপজেলায় বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আবু সাদাত শাহ মো. ফজলুল হক রানা এবং জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সমপাদক মতিয়ার রহমান সরকার।

গোবিন্দগঞ্জে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আব্দুল লতিফ প্রধানের বিপরীতে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ফেরদৌস আলম রাজু, মুকিতুর রহমান রাফি ও উপজেলা শ্রমিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ চৌধুরী।

ফুলছড়িতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জি এম সেলিম পারভেজ দলীয় মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচনের মাঠে রয়েছেন। এখানে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান।

সাঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম সামশীল আরেফিন টিটুকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এ উপজেলায় বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জেলা যুবলীগের সহসভাপতি জাহাঙ্গীর কবির।

বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কোনো বিদ্রোহী প্রার্থী নেই। যাঁরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তাঁরা স্বতন্ত্র প্রার্থী। তাঁরা যাতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে আসেন এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’

গাইবান্ধার ছয় উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ২৩ জন প্রার্থী। আগামী ১৮ মার্চ এ উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা