kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা

দুই স্থানে আহত ৬০

হবিগঞ্জ, জয়পুরহাট ও ক্ষেতলাল প্রতিনিধি   

১৩ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



উপজেলা নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় হবিগঞ্জের বাহুবল ও জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে অন্তত ৬০ জন আহত হয়। দুটি ঘটনাই ঘটে গতকাল মঙ্গলবার সকালে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

হবিগঞ্জের বাহুবলে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছে। গতকাল সকালে উপজেলার স্নানঘাট বাজারে ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। জানা যায়, এক প্রার্থীর পক্ষে ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র ধরে গতকাল সকালে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় আহতদের বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

খবর পেয়ে বাহুবল উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হাই, বাহুবল-নবীগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার পারভেজ আহম্মেদ ও বাহুবল মডেল থানার ওসি মো. মাসুক আলীর নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ওসি মাসুক আলী জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

এদিকে জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে বিজয়ী উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর সমর্থকদের সঙ্গে পরাজিত প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়। গতকাল সকালে ক্ষেতলাল পৌর শহরের পূর্ববাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জানা গেছে, ক্ষেতলালে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে হেরে গিয়ে তুহিন ইসলাম গতকাল সকালে লোকজন নিয়ে বিজয়ী পদপ্রার্থী শাহারুল ইসলাম বাবুর সমর্থক তারা মিয়াকে মারধর করে। এ সময় তাঁকে রক্ষায় এগিয়ে এসে আরো ৯ জন মারধরের শিকার হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। বর্তমানে বাজারে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। আহতরা হলো তারা মিয়া, আলাউদ্দিন, মাবিয়া বেগম, তাইফুল ইসলাম, হাফিজার, রুবিনা, এরফান আলী, রুবেল হোসেন, সাকাউল ইসলাম ও সাহারা বানু। ক্ষেতলাল থানার ওসি (তদন্ত) সেলিম মালিক জানান, দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা