kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৫ অক্টোবর ২০১৯। ৩০ আশ্বিন ১৪২৬। ১৫ সফর ১৪৪১       

আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ দুই এমপির বিরুদ্ধে

ইসলামপুর ও বানিয়াচং

জামালপুর ও হবিগঞ্জ প্রতিনিধি   

৪ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জামালপুরের ইসলামপুরে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য (এমপি) মো. ফরিদুল হক খান দুলালের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন বলে অভিযোগ। দলটির বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী মো. জিয়াউল হক জিয়া গতকাল রবিবার সকালে উপজেলায় তাঁর নির্বাচনী প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন।  

এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁরা হলেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী আইনজীবী এস এম জামাল আব্দুন নাসের বাবুল (নৌকা প্রতীক), দলটির বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও ইসলামপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র জিয়াউল হক জিয়া (আনারস প্রতীক) এবং জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী মো. মশিউর রহমান বাদল (লাঙল প্রতীক)। বাবুল ও জিয়া দুজনই নির্বাচনী মাঠে বেশ সরব। নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই তাঁদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল বাড়ছে। সাধারণ ভোটারদের ধারণা, নির্বাচনে তাঁদের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। অন্যদিকে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও এমপিদের নির্বাচনী এলাকায় না থাকার নির্দেশনা থাকলেও আওয়ামী লীগের এমপি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দুলাল এলাকায় অবস্থান করছেন। তাঁর বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনসহ বিভিন্ন অভিযোগ করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী জিয়া। গতকাল সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, ‘এমপি দুলাল গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে এলাকায় অবস্থান করছেন। তিনি আমার নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন স্থানে প্রভাব খাটিয়ে প্রচার-প্রচারণায় বিভিন্নভাবে বাধার সৃষ্টি করছেন।’ অভিযোগ প্রসঙ্গে এমপি দুলাল বলেন, ‘আমি নির্বাচনের কোনো আচরণবিধি লঙ্ঘন করছি না।’ 

অন্যদিকে বানিয়াচং উপজেলায় হবিগঞ্জ-২ (বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ) আসনের এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ খানের বিরুদ্ধেও নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে।  গতকাল দুপুরে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার বরাবর এ অভিযোগ করেন ইকবাল হোসেন খান। তিনি উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ও দলের উপজেলা সাধারণ সম্পাদক।

অভিযোগের ব্যাপারে জানতে এমপি মজিদ খানের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। অন্যদিকে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘আমি মিটিংয়ে আছি। পরে কথা বলব।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা