kalerkantho

বুধবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৩ রবিউস সানি     

পটুয়াখালীতে সাত চেয়ারম্যানই দলীয় মনোনয়নবঞ্চিত

পটুয়াখালী প্রতিনিধি   

৩ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চতুর্থ ধাপে আগামী ৩১ মার্চ অনুষ্ঠেয় পটুয়াখালীর সাত উপজেলায় পুরনো সাত চেয়ারম্যানের কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। সাত উপজেলায়ই দলের নতুন মুখকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে জেলার সর্বত্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

এর মধ্যে পটুয়াখালী সদরে বর্তমান চেয়ারম্যান তারিকুজ্জামান মনির পরিবর্তে প্রার্থী করা হয়েছে মো. গোলাম সরোয়ারকে, মির্জাগঞ্জে খান মো. আবুবকর সিদ্দিকীর পরিবর্তে প্রার্থী হয়েছেন গাজী আতাহার উদ্দিন আহম্মেদ, দুমকি উপজেলায় মো. শাহজাহান সিকদারের পরিবর্তে হারুন-অর-রশিদ হাওলাদার, বাউফলে ইঞ্জিনিয়ার মজিবুর রহমানের পরিবর্তে আবদুল মোতালেব হাওলাদার, দশমিনা উপজেলায় শাখাওয়াত হোসেন শওকতের পরিবর্তে মো. আব্দুল আজিজ, গলাচিপা উপজেলায় মো. শামসুজ্জামান লিকনের পরিবর্তে মুহম্মদ সাহিন এবং কলাপাড়া উপজেলায় বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল মোতালেব তালুকদারের পরিবর্তে এস এম রাকিবুল আহসানকে প্রার্থী করা হয়েছে।

বাউফলে পর পর দুইবার নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার মজিবুর রহমান শিক্ষানুরাগী হিসেবে শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। দশমিনায় শাখাওয়াত হোসেন শওকত বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে গত নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। সদর উপজেলা চেয়ারম্যান তারিকুজ্জামান মনিরের মাঠ পর্যায়ে ভোটারদের মধ্যে বেশ গ্রহণযোগ্যতা থাকলেও তাঁকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মনে করেন, বিএনপি নির্বাচনে না আসায় এমনটি হয়েছে। তা ছাড়া গ্রহণযোগ্য প্রার্থী মনোনয়ন না পাওয়ায় ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতিও কম হতে পারে। এমন মনোনয়নে দলও সাংগঠনিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তবে কেউ নাম প্রকাশ করে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

দলীয় মনোনয়নে এমন পরির্বতন নিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহজাহান মিয়া ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কাজী আলমগীর হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করেও মোবাইল বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা