kalerkantho

বুধবার । ৩১ আষাঢ় ১৪২৭। ১৫ জুলাই ২০২০। ২৩ জিলকদ ১৪৪১

একাদশ-দ্বাদশ
পদার্থবিজ্ঞান

ভেক্টর রাশি

৬ জুন, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভেক্টর রাশি

ধরি, একজন লোক A স্থান থেকে যাত্রা শুরু করে ৫ কিলোমিটার অতিক্রম করে B স্থানে যায়। তারপর আরো ৩ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে C স্থানে পৌঁছায়। এখন যদি জিজ্ঞেস করা হয় লোকটির সরণ কত? তাহলে লোকটির দিক জানা ছাড়া তা নির্ণয় করা অসম্ভব।

এখানে ৫ কিলোমিটার ও ৩ কিলোমিটার দূরত্ব দিয়ে আমরা সরণ বের করতে পারব না, কারণ লোকটি ঠিক সোজা গেল, নাকি আঁকাবাঁকা রাস্তা অতিক্রম করল তা আমাদের জানা নেই। আর সরণ বলতে আমরা জানি অতিক্রান্ত দূরত্বের প্রথম অবস্থান ও শেষ অবস্থানের মধ্যবর্তী ন্যূনতম দূরত্ব বা সরলরৈখিক দূরত্ব। এই যে লোকটির সরণ বের করতে অতিক্রান্ত দূরত্ব ও দিক প্রয়োজন হলো—তা ভেক্টর রাশি। অর্থাৎ যেসব রাশি প্রকাশ করতে মান ও দিক দুটির প্রয়োজন তাকে দিক রাশি বা ভেক্টর রাশি বলে।

বইয়ে অনেক ভেক্টর রাশির উদাহরণ দেওয়া আছে। পরীক্ষায় ভেক্টর রাশির উদাহরণ থেকে বহু নির্বাচনী প্রশ্ন এসে থাকে। তোমরা চাইলে নিচের লাইনটি মনে রেখে সব ভেক্টর রাশির নাম মনে রাখতে পারো।

লাইনটি হলো—

‘ভবে সব প্রিওতম ভাসে প্রেম’

এখানে ভ = ভরবেগ, বে = বেগ, স = সরণ, ব = বল, প্রি = প্রাবল্য, ও = ওজন, ত = ত্বরণ, ম = মন্দন, ভা = ভ্রামক, সে = সান্দ্রতার গুণাংক, প্রে = পৃষ্ঠটান, ম = মহাকর্ষীয় প্রাবল্য।

 

গ্রন্থনা : মাহবুব আলম রিয়াজ

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা