kalerkantho

বুধবার । ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৩ জুন ২০২০। ১০ শাওয়াল ১৪৪১

নবম-দশম শ্রেণি

কৃষিশিক্ষা : গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

২৮ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কৃষিশিক্ষা : গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

পুকুরে ফসফেটের উপস্থিতিতে ফাইটোপ্লাংকটন জন্মায়

নবম-দশম শ্রেণির কৃষিশিক্ষা বই থেকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেওয়া হলো—

১. ভূমিক্ষয় দুই প্রকার : ক) প্রাকৃতিক ভূমিক্ষয়, খ) মানবসৃষ্ট ভূমিক্ষয়।

২. যে অঞ্চলে গাছপালা কম, সে এলাকায় বায়ুপ্রবাহ দ্বারা ভূমিক্ষয় হয়।

৩. বীজের আর্দ্রতা ৩৫-৬০% বা তার ওপরে হয়, তখন থেকেই অঙ্কুরোদগম শুরু হয়।

৪. FCR-এর পূর্ণরূপ Food conversion ratio। FCR-এর মান সব সময় ১-এর চেয়ে বড় হয়; অন্যদিকে যে খাদ্যে FCR-এর মান যত কম, সে খাদ্যের গুণগত মান তত ভালো।

৫. বীজ উত্পাদনের নির্বাচিত জমিতে অন্তত ২% জৈব পদার্থ থাকা উচিত।

৬. আদর্শ পুকুরের মাটি দোআঁশ, পলি-দোআঁশ বা এঁটেল দোআঁশ সবচেয়ে ভালো এবং পুকুরে পানির গভীরতা ০.৭৫ থেকে ২ মিটার হওয়া সুবিধাজনক।

৭. মাছের উৎপাদন ভালো পাওয়ার জন্য পুকুরের পানিতে ১-২ পিপিএম কার্বন ডাই-অক্সাইড থাকা প্রয়োজন।

৮. পুকুরের পানিতে পরিমিত ফসফেটের উপস্থিতিতে প্রচুর পরিমাণে ফাইটোপ্লাংকটন জন্মায়।

৯. মত্স্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ সালে প্রণয়ন করা হয়।

১০. ব্রুডার ঘরে সদ্যঃফোটানো হাঁসের বাচ্চা চার বা ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত পালন করা হয়।

১১. গান্ধি পোকা ধানের দানায় দুধ সৃষ্টির সময় আক্রমণ করে। মাজরা পোকা আক্রমণের কারণে ধানের শীষে সাদা চিটা হয় আর পামরি পোকা পাতায় ছিদ্র করে ভেতরের সবুজ অংশ খায়।

১২. গরম আবহাওয়ায় ১২-১৪ দিন, আর ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় ২০-২৫ দিনের মধ্যেই পাট পচে যায়।

১৩. বাংলাদেশে সরিষার ফলন শতকপ্রতি প্রায় ৩ থেকে ৩.৫ কেজি। সরিষাবীজে ৪০-৪৪% তেল থাকে।

১৪. গোলাপ চাষের জন্য উর্বর দোআঁশ মাটি উপযুক্ত। আর আশ্বিন মাস চারা রোপণের জন্য উপযুক্ত সময়।

১৫. কলার চারাকে বলে তেউড়। দুই ধরনের কলার চারা দেখা যায়। যথা—অসি তেউড়, পানি তেউড়। অসি তেউড় কলাচাষের জন্য উত্তম।

১৬. ভেড়া পালনের জন্য তিন ধরনের ঘর ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যথা—উন্মুক্ত ঘর, আধা উন্মুক্ত ঘর, আবদ্ধ ঘর।

১৭. সর্পগন্ধার মূলের বা ফলের রস উচ্চ রক্তচাপে ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে এটি মানসিক রোগের চিকিত্সায়ও ব্যবহার করা হয়।

১৮. বাংলাদেশে প্রায় দুই লাখ ৭০ হাজার হেক্টর জমিতে গ্রামীণ বন রয়েছে।

১৯. বাবলা, ঝাউ, কদম, শিমুল, আকাশমণি, কদম, তেলিকদম, কেওড়া ইত্যাদি স্বল্প আবর্তন কালের বৃক্ষ।

২০. কাঠে পানির পরিমাণ যদি ওজনের ১২%-এ নিয়ে আসা যায়, তাহলে কাঠের গুণগত মান সবচেয়ে ভালো হবে।

            সংকলন : অনয় আহম্মেদ

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা