kalerkantho

শনিবার । ১০ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৮ জমাদিউস সানি ১৪৪১

বাংলা দ্বিতীয় পত্র

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য বাংলা দ্বিতীয় পত্রের ব্যাকরণ অংশের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেওয়া হলো

১৮ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাংলা দ্বিতীয় পত্র

♦ সংখ্যাবাচক শব্দ চার প্রকার। যথা : অঙ্কবাচক, গণনাবাচক, পূরণবাচক, তারিখবাচক।

♦ তারিখবাচক প্রথম চারটি সংখ্যা হিন্দি নিয়মে হয়।

♦ নিত্য স্ত্রীবাচক তৎসম শব্দ - সতীন, অর্ধাঙ্গিনী, কুলটা, বিধবা, অরক্ষণীয়া, সপত্নী ইত্যাদি।

♦ শুধু বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের বচনভেদ হয়।

♦ শুধু উন্নত প্রাণীবাচক শব্দের সঙ্গে ‘রা’ বিভক্তির ব্যবহার পাওয়া যায়। সময় সময় কবিতা ও অন্যান্য প্রয়োজনে ইতর বা অপ্রাণীবাচক শব্দেও ‘রা’ যুক্ত হয়।

♦ এক-এর সঙ্গে টা, টি যুক্ত হলে অনির্দিষ্টতা বোঝায়; কিন্তু এক ব্যতীত অন্য শব্দের সঙ্গে টা, টি যুক্ত হলে নির্দিষ্টতা বোঝায়।

♦ সমাসযুক্ত পদের প্রথম অংশ বা শব্দকে বলে পূর্বপদ এবং পরের অংশ বা শব্দকে বলে পরপদ। পূর্ব ও পর পদ মিলেই সমস্ত পদ।

♦ কর্মধারয় সমাসে পরপদের অর্থই প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয়।

♦ বর্তমান পৃথিবীতে সাড়ে তিন হাজারের বেশি ভাষা প্রচলিত আছে।

♦ ভাষাভাষী ও জনসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলা পৃথিবীর চতুর্থ বৃহৎ মাতৃভাষা।

♦ বর্তমান পৃথিবীতে প্রায় ত্রিশ কোটি লোকের মুখের ভাষা বাংলা।

♦ সাধুরীতি ব্যাকরণের নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলে, পদবিন্যাস সুনির্দিষ্ট ও সুনিয়ন্ত্রিত, নাটক সংলাপে ব্যবহার উপযোগী নয়, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের বিশেষ গঠনপদ্ধতি মেনে চলে।

♦ তৎসম শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সোজাসুজি বাংলায় এসেছে এবং রূপ অপরিবর্তিত।

♦ ধ্বনির সূক্ষ্মতম মৌলিক একককে ধ্বনিমূল বলে। শব্দতত্ত্বকে রূপতত্ত্বও বলা হয়।

♦ বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলে।

♦ ঐ, ঔ—এই দুটি বর্ণকে যৌগিক স্বরধ্বনির চিহ্ন বলে। ক থেকে ম পর্যন্ত ২৫টি স্পর্শধ্বনি।

♦ ং, ৎ , ঁ—এই তিনটিকে পরাশ্রয়ী বর্ণ বলে।

♦ ভাব প্রকাশের দিক দিয়ে ক্রিয়াপদকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা : সমাপিকা ক্রিয়া, অসমাপিকা ক্রিয়া।

♦ ব্যাক্যের ক্রিয়া ও কর্মপদ একই ধাতু থেকে গঠিত হলে ওই কর্মপদকে সমধাতুজ কর্ম বলে।

♦ পুরুষভেদে ক্রিয়ার রূপের পার্থক্য দেখা যায়।

♦ অভ্যস্ততা বোঝালে সাধারণ বর্তমান কালের ক্রিয়াকে নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল বলে।

♦ একটি সার্থক বাক্যের তিনটি গুণ থাকা চাই। যথা : আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি, যোগ্যতা।

♦ বাক্যের অর্থসংগতি রক্ষার জন্য সুশৃঙ্খল পদবিন্যাসই আসত্তি।

♦ পরস্পর নিরপেক্ষ একাধিক সরল বাক্য মিলে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করলে তাকে যৌগিক বাক্য বলে।

 

সংকলন : মো. সাইফুল ইসলাম

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা