kalerkantho

মঙ্গলবার । ২১ জানুয়ারি ২০২০। ৭ মাঘ ১৪২৬। ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

চটজলদি

গণিতের পাঠসূত্র

গণিতের জন্য সূত্রতো জানা চাই-ই। এর পাশাপাশি মৌলিক কিছু তথ্য জানাও জরুরি। নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য তেমন কিছু ফ্যাক্টস সংগ্রহ করেছেন জুবায়ের ইবনে কামাল

১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গণিতের পাঠসূত্র

♦    পাটিগণিতে শুধু ধনাত্মক সংখ্যা ব্যবহৃত হয়, অন্যদিকে বীজগণিতে শূন্যসহ ধনাত্মক ও ঋণাত্মক সব সংখ্যা ব্যবহার করা হয়।

♦    বীজগণিতকে পাটিগণিতের সর্বায়নকৃত (generalized) রূপ বলা হয়।

♦    ধ্রুবকের মান সব সময় নির্দিষ্ট থাকে।

♦    বীজগাণিতিক রাশিগুলো এক বা একাধিক পদবিশিষ্ট (বহুপদী) হতে পারে।

♦    গ্রিক গণিতবিদ থেলিসকে প্রথম জ্যামিতিক প্রমাণের কৃতিত্ব দেওয়া হয়। তিনি যুক্তিমূলক প্রমাণ দেন যে ব্যাস দ্বারা বৃত্ত দ্বিবিভক্ত হয়।

♦    জ্যামিতির সূত্রগুলো নিয়ে সুবিন্যস্তভাবে লেখা পৃথিবীর প্রথম বইয়ের নাম ‘এলিমেন্টস’।

♦    পৃথিবীর সব ঘনবস্তুই ত্রিমাত্রিক (দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা); তবে সব তল দ্বিমাত্রিক (দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ)।

♦    রেখার কোনো প্রান্ত বিন্দু নেই। বিন্দুর কোনো অংশ নেই অথবা যার অংশ নেই, তাকেই বিন্দু বলে।

♦    গুণবাচক নয়—এমন সংখ্যাসূচক তথ্যাবলিকেই শুধু পরিসংখ্যানের উপাত্ত হিসাবে গণ্য করা হয়।

♦    কোনো বর্গের ক্ষেত্রফল পরিমাপের জন্য তার বাহুকে একক হিসাবে ধরলে ক্ষেত্রফলকে একক বর্গ হিসাবে গ্রহণ করতে হয়। ধরা যাক, একটি বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য ১ সেন্টিমিটার। তাহলে ক্ষেত্রফল হবে ১ বর্গসেন্টিমিটার।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা