kalerkantho

সোমবার। ২৭ জানুয়ারি ২০২০। ১৩ মাঘ ১৪২৬। ৩০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

ষষ্ঠ শ্রেণি

দ্রবণ

ষষ্ঠ শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ে দ্রবণ ও সর্বজনীন দ্রাবকের কথা উল্লেখ আছে।

২৩ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দ্রবণ

দ্রবণ তৈরি করার জন্য দ্রাবকে যে পদার্থ মেশানো বা দ্রবীভূত করা হয়, তাকে দ্রব বলে। আর দ্রব যাতে দ্রবীভূত থাকে তাকে দ্রাবক বলে। দ্রাবক আর দ্রব মিলেই হয় দ্রবণ। অন্যভাবে বলা যায়, দুই বা ততোধিক পদার্থের মিশ্রণ, যেখানে মিশ্রণের পদার্থগুলো নিজ নিজ অণুর রাসায়নিক ধর্ম বজায় রেখে মিশ্রণ তৈরি করে তাকে দ্রবণ বলে।

দ্রব+ দ্রাবক=দ্রবণ

চিনি+পানি=শরবত

তুমি বিকেলে স্কুল থেকে বাসায় এসে চিনির শরবত খেলে। এ জন্য পানিতে চিনির দানাগুলো দিয়ে মিশ্রণ তৈরি করলে। পানিতে যেহেতু চিনি দ্রবীভূত করেছ, তাই পানি দ্রাবক আর চিনি হলো দ্রব। আর দ্রবণ হলো শরবত, যেটা তুমি খেলে। নিচে বিভিন্ন প্রকার দ্রবণের উদাহরণ দেওয়া হলো।

তরলে তরলে দ্রবণ : এ ধরনের দ্রবণে দ্রব ও দ্রাবক উভয়ই তরল। যেমন—পানিতে অ্যালকোহল বা গ্লিসারিন মিশিয়ে তৈরি দ্রবণ।

তরলে কঠিনে দ্রবণ : এখানে দ্রাবক তরল এবং দ্রব কঠিন পদার্থ। চিনির শরবত এই দ্রবণের উদাহরণ। আবার পানিতে লবণ মিশিয়ে তৈরি দ্রবণও তরলে কঠিনে দ্রবণের উদাহরণ। পানি হলো দ্রাবক, যা তরল এবং চিনি বা লবণ হলো দ্রব, যা কঠিন পদার্থ।

তরলে গ্যাসের দ্রবণ : এ ধরনের দ্রবণে দ্রাবক তরল এবং দ্রব গ্যাসীয় পদার্থ। পানিতে অ্যামোনিয়া গ্যাস দ্রবীভূত করলে এ দ্রবণ উৎপন্ন হয়।

 

পানি সর্বজনীন দ্রাবক কেন?

ওপরের আলোচনা থেকে এরই মধ্যে দ্রাবক কী তা জেনেছ। দ্রবণের উদাহরণ দেওয়ার ক্ষেত্রে দ্রাবক হিসেবে পানির কথা উল্লেখ করেছি। পানি ছাড়াও বিভিন্ন রাসায়নিক বস্তু যেমন—ইথার দ্রাবক হিসেবে ব্যবহার হতে পারে। তবে পানি হলো সর্বজনীন দ্রাবক। কেন? সর্বজনীন দ্রাবক বলতে বুঝি এমন পদার্থ, যা সব রকমের পদার্থকেই দ্রবীভূত করতে পারবে। পানি সব রকমের পদার্থকে দ্রবীভূত করতে না পারলেও অসংখ্য জৈব ও অজৈব পদার্থকে দ্রবীভূত করতে পারে। এ কারণেই পানিকে সর্বজনীন দ্রাবক বলে।

পরের সংখ্যায় আমরা সমস্বত্ব মিশ্রণ প্রস্তুত ও পৃথককরণ সম্পর্কে জানব।

            ► জুবায়ের আহম্মেদ

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা