kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

উড়োজাহাজ বানায় যারা

২৪ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



উড়োজাহাজ বানায় যারা

বোয়িং

উড়োজাহাজ তো বটেই; রকেট, স্যাটেলাইট, মিসাইলও নকশা, নির্মাণ ও বিক্রি করে আমেরিকান প্রতিষ্ঠান বোয়িং। ১৯১৬ সালে ওয়াশিংটনে এটি প্রতিষ্ঠা করেন উইলিয়াম বোয়িং। শিকাগোয় এর প্রধান দপ্তর। বোয়িংয়ের পাঁচটি বিভাগ আছে—বোয়িং কমার্শিয়াল এয়ারপ্লেন, বোয়িং ডিফেন্স, স্পেস অ্যান্ড সিকিউরিটি, বোয়িং ক্যাপিটাল। ২০১৭ সালে বোয়িং ৯৩.৩ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য বিক্রি করেছে।

উইলিয়াম ই বোয়িং ছিলেন কাঠ ব্যবসায়ী। বোয়িং কম্পানি শুরুর আগে আগে তিনি এবং কনরাড ওয়েস্টারভেল্ট প্রতিষ্ঠা করেন বিঅ্যান্ডডাব্লিউ সি-প্লেন। প্রতিষ্ঠানটি বেশি আয়ু পায়নি। ১৯১৭ সালেই প্রতিষ্ঠানের নাম হয় বোয়িং এয়ারপ্লেন কম্পানি। ১৯১৯ সালে বোয়িংয়ের বি-ওয়ান শিয়াটল থেকে কানাডার ভ্যাংকুভারে চিঠি পৌঁছানোর কাজ শুরু করে। পরে সানফ্রান্সিসকো থেকে শিকাগোয় সরকারি চিঠি পৌঁছানোর কাজও পায় বোয়িং। এ পরিপ্রেক্ষিতে ১৯২৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বোয়িং এয়ার ট্রান্সপোর্ট। পুরো বিশের দশকজুড়ে বোয়িং ফাইটার প্লেন, পরিবহন বিমান তৈরির কাজ করতে থাকে। ১৯৩৫ সালে বি-১৭ নামের বিমানটি প্রথম আকাশে ওড়ে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এটি সামরিকবাহিনীকে দারুণ শক্তি জোগায়। ফলাফলে জেনারেল কার্ল স্পাটজ (ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের এয়ার কমান্ডার) বলেন, বি-১৭ না থাকলে যুদ্ধ হয়তো আমাদের হাতছাড়া হয়ে যেত। ১৯৩৬ সালে ডিসি-৩ ওড়া শুরু করে। যাত্রী পরিবহনে এটি নতুন মাত্রা যোগ করে। এভাবে শত বছরের দীর্ঘযাত্রায় বোয়িং মুসট্যাং, বোয়িং ৭৪৭, অ্যাপাচি হেলিকপ্টারসহ অনেক রকম বায়ুযান নির্মাণ করে। ২০০৯ সালে ৭৮৭ ড্রিমলাইনার আনে বোয়িং। প্রথম উড়ানের পর পরই ১০০০ এয়ারপ্লেন তৈরির আদেশপত্র পায় বোয়িং, যা বিমানের ইতিহাসে নতুন ঘটনা। ২০১৮ সালে বোয়িং প্রায় সাড়ে ১০ হাজার মিলিয়ন ডলার মুনাফা করে। প্রতিষ্ঠানটির কর্মীসংখ্যা দেড় লাখের অধিক।

এয়ারবাস

ইউরোপীয় বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান। নেদারল্যান্ডসে নিবন্ধিত। ফ্রান্স, জার্মানি ও স্পেনের অংশীদারত্ব রয়েছে এ প্রতিষ্ঠানে।  ফ্রান্সের ব্ল্যানাকে প্রধান কারখানা। ফ্রান্স, জার্মানি, স্পেন, যুক্তরাজ্যেও কারখানা আছে।  আছে চীন আর যুক্তরাষ্ট্রেও। বিশ্বের সবচেয়ে বড় যাত্রীবাহী বিমানটি এয়ারবাসের তৈরি, নাম এ৩৮০। প্রতিষ্ঠানটি তার ১২০০তম বিমান হস্তান্তর করেছে ২০১৯ সালের ২০ মে।

এটিআর

ফ্রান্স ও ইতালির যৌথ উদ্যোগের ফসল এটিআর (এভিয়নস ডি ট্রান্সপোর্ট রিজিওনাল) বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। ফ্রান্সের ব্ল্যানাকে এর সদর দপ্তর। ১৯৮১ সালে এর প্রতিষ্ঠা। এটিআর-৪২ এবং এটিআর-৭২ প্রতিষ্ঠানটির দুটি উল্লেখযোগ্য বিমান। এখন পর্যন্ত এক হাজার ৫০০র অধিক বিমান হস্তান্তর করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা