kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন থেকে ফ্ল্যাট ঋণ নেওয়ার নির্দেশিকা

৩১ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন থেকে ফ্ল্যাট ঋণ নেওয়ার নির্দেশিকা

আবেদনকারীর যোগ্যতা

পূর্ণবয়স্ক, সুস্থ ও চুক্তি করার যোগ্যতাসম্পন্ন এবং ঋণ পরিশোধে সক্ষম বাংলাদেশের যেকোনো নাগরিক ফ্ল্যাটঋণের আবেদন করতে পারবেন। প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যক্তিরাও এ ঋণের আবেদন করতে পারবেন।

আওতাধীন এলাকা

ঢাকা ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকা এবং দেশের সব বিভাগীয় ও জেলা সদর এলাকা। এসব এলাকায় সুদের হার   ৯ শতাংশ। তবে পেরিআরবান, উপজেলা সদর এবং গ্রোথ সেন্টার এলাকায় কৃষক আবাসন ঋণের সুদের হার ৭ শতাংশ।

ঋণ পরিশোধের মেয়াদ

৫, ১০, ১৫ ও ২০ বছর পরিশোধ মেয়াদে এমরটাইজড (Amortized) পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট মেয়াদের মধ্যে সমমাসিক (EMI) কিস্তি নির্ধারিত হবে। ফলে নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ করলে নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যেই সুদাসলে সমুদয় ঋণ পরিশোধ হয়ে যাবে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মেয়াদ ২৫ বছর।

সাময়িক আবেদনের সঙ্গে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

ঋণের সাময়িক আবেদনপত্র যথাযথভাবে পূরণ করতে হবে (সাময়িক আবেদন ফরম বিনা মূল্যে অফিস থেকে বিতরণ করা হয়। কর্পোরেশনের ওয়েবসাইট থেকেও ডাউনলোড করা যায়)। ঋণগ্রহীতা এবং ডেভেলপার অন্য কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ গ্রহণ করে থাকলে এর তথ্য আবেদন ফরমে সংযোজন করতে হবে। ফ্ল্যাট ক্রেতা এবং ডেভেলপারের সঙ্গে সম্পাদিত ফ্ল্যাট ক্রয়ের রেজিস্ট্রিকৃত চুক্তিপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি দিতে হবে। জমির মালিক এবং ডেভেলপারের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তিপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি দিতে হবে। অনুমোদিত নকশা ও অনুমোদনপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি দিতে হবে। প্রস্তাবিত বন্ধকি জমি/সাইট পরিদর্শন করার জন্য রুট ম্যাপ দিতে হবে। উল্লেখ্য, আবেদনপত্র বিবেচনার ক্ষেত্রে ঋণ আবেদনকারীর পাশাপাশি ডেভেলপারের সুনাম, মর্যাদা ও আর্থিক সচ্ছলতা ইত্যাদি বিষয় বিবেচনা করে সাময়িক আবেদনপত্র অনুমোদন করা হবে।

ফরমাল আবেদনের সঙ্গে কাগজপত্র

লিজপ্রাপ্ত প্লটের ক্ষেত্রে ফ্ল্যাট ক্রয়ের রেজিস্ট্রিকৃত বায়না, চুক্তিপত্রের মূল কপি এবং বরাদ্দপত্র। ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ক্ষেত্রে ফ্ল্যাট ক্রয়ের রেজিস্ট্রিকৃত বায়না, চুক্তিপত্রের মূল কপি এবং বরাদ্দপত্র। আর প্রথম কিস্তির পূর্বেই মালিকানা দলিল বা ফ্ল্যাট ক্রয়ের চুক্তিপত্র দলিলের মূল কপি জমা দিতে হবে। সরকারি সংস্থা কর্তৃক বরাদ্দকৃত ফ্ল্যাটে ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে লাগবে ফ্ল্যাটের মূল বরাদ্দপত্র। সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বন্ধক অনুমতিপত্রসহ কাঠামো নকশা, ভারবহন সনদ। ইমারতের কাঠামো নকশামতো ভবন নির্মিত হয়েছে মর্মে প্রকৌশল সনদ।

ফরমাল আবেদনের সঙ্গে আরো লাগবে

আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি, দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি ও সাদা কাগজে তিনটি নমুনা স্বাক্ষর (সত্যায়িত)। কর্পোরেশন কর্তৃক নির্ধারিত দরখাস্ত ফি জমা প্রদানের রসিদ। ঋণ আবেদনকারীর আয়ের প্রমাণপত্র। ফ্ল্যাট ঋণ আবেদনকারী বা তার জামিনদার আবেদনকারী বা তার জামিনদার আয়কর পরিশোধকারী হতে হবে এবং ই-টিআইএন নম্বরসহ আয়কর পরিশোধের প্রত্যয়নপত্র। ফ্ল্যাটের মালিকানা বা মর্টগেজ দলিল রেজিস্ট্রির ১৫ দিনের মধ্যে মালিকানা দলিলের সার্টিফায়েড কপি এবং তিন মাসের মধ্যে ফ্ল্যাটের নামজারি, ডিসিআর ও খাজনার রসিদ দলিল দাখিল করতে হবে। উল্লেখ্য, ফরমাল আবেদনপত্রের মূল্য এক হাজার টাকা। 

প্রবাসী বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কাগজপত্র

বিদেশি এমপ্লয়মেন্ট সার্টিফিকেট এবং রেসিডেন্ট পারমিটসহ সব কাগজপত্র বা ডকুমেন্টস কনস্যুলেট বা এমবাসির মাধ্যমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রত্যায়িত হতে হবে অথবা কর্পোরেশন কর্তৃক নির্ধারিত এক্সচেঞ্জ হাউসের মাধ্যমে ভেরিফাই করে দাখিল করতে হবে। প্রবাসী নাগরিকদেরও বাংলাদেশি পাসপোর্ট থাকতে হবে এবং পাসপোর্টের

সত্যায়িত ফটোকপি দাখিল করতে হবে। ঋণে নির্মিত

বাড়ি বা ফ্ল্যাট তথা সার্বিক কার্যাদি তত্ত্বাবধান করার

জন্য বাংলাদেশে অবস্থানরত একজন নমিনি বা

প্রতিনিধিকে আমমোক্তার (পাওয়ার অব অ্যাটর্নি) নিযুক্ত করতে হবে।

ওয়েবসাইট

উল্লেখ্য, নির্দেশিকাটি এখানে সংক্ষিপ্ত আকারে ছাপানো হলো। বিস্তারিত ওয়েবসাইটে : www.bhbfc.gov.bd.

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা