kalerkantho

‘কীটতত্ত্ববিদদের সঙ্গে কাজ করলে ডেঙ্গু নির্মূল সম্ভব’

জবিতে ডেঙ্গুবিষয়ক সচেতনতা সৃষ্টি ও মশক নিধন কর্মসূচি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

৭ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



‘কীটতত্ত্ববিদদের সঙ্গে কাজ করলে ডেঙ্গু নির্মূল সম্ভব’

শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেছেন, সরকার জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে। একইভাবে সবার সহযোগিতায় ডেঙ্গুর প্রকোপও নির্মূল করা সম্ভব। ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে ইতিমধ্যে সরকার কার্যকর ব্যবস্থা নিয়েছে। গবেষক, চিকিৎসক, কীটতত্ত্ব বিশেষজ্ঞ এবং সিটি করপোরেশন ও বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় কাজ করলে দীর্ঘমেয়াদে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধ ও নির্মূল করা সম্ভব।

গতকাল মঙ্গলবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ‘ডেঙ্গুবিষয়ক সচেতনতা সৃষ্টি ও মশক নিধন কর্মসূচি’ ও শোভাযাত্রায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন উপমন্ত্রী। ‘নিজ আঙ্গিনা পরিষ্কার রাখি, সবাই মিলে সুস্থ থাকি’ স্লোগানকে সামনে রেখে ঈদুল আজহা ও জাতীয় শোক দিবসের ছুটির আগের দিন এ কর্মসূচি করল জবি। শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, সরকারের প্রচেষ্টার পাশাপাশি প্রত্যেককে নিজ আঙ্গিনা ও আবাসস্থল পরিষ্কার করার উদ্যোগ নিতে হবে। এতে স্বল্প সময়ের জন্য হলেও ডেঙ্গু থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

সভাপতির বক্তব্যে জবির উপাচার্য মীজানুর রহমান বলেন, ‘শুধু ওষুধ প্রয়োগ করে ডেঙ্গু মোকাবেলা করা সম্ভব নয়। এ জন্য প্রয়োজন জনসচেতনতা। যে যার আবাসস্থল ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার মাধ্যমে এ দুর্যোগ মোকাবেলা করতে পারি। এ জন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।’

গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন : অনুষ্ঠানে প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম ডেঙ্গুর বিস্তার ও প্রতিরোধ বিষয়ক তাঁর গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। প্রবন্ধে তিনি বলেন, এডিস মশা ক্ষুধার্ত থাকলে রাতেও কামড়াতে পারে। এ জন্য রাতেও মানুষকে সতর্ক থাকতে হবে। এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে বাড়ির আশপাশে ও টবে স্বচ্ছ পানি জমতে দেওয়া যাবে না। গরুর হাটগুলোতে প্রচুর মশা থাকে। তাই সেখানে গরুর জন্য মশারি বা কয়েলের ব্যবস্থা করতে হবে। সংশ্লিষ্ট লোকজনকে সচেতন থাকতে হবে। কোরবানির সময় পশু জবাইয়ের পরপরই রক্ত-আবর্জনা অপসারণ করতে হবে। নয়তো রক্ত-আবর্জনার ওপর ব্লিচিং পাউডার ও লবণ ছিটাতে হবে।

এ ছাড়া বাঁধন, জবি ইউনিটের উদ্যোগে ‘ডেঙ্গুর বিস্তার প্রতিরোধ বিষয়ক’ সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। বের করা হয় শোভাযাত্রা।

অনুষ্ঠানে রেজিস্ট্রার মো. ওহিদুজ্জামানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ট্রেজারার মো. সেলিম ভূঁইয়া। এ ছাড়া লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদের ডিন কাজী সাইফুদ্দীন, ফার্মেসি বিভাগের চেয়ারম্যান আবু জাফর মোহাম্মদ রুহুল মোমেন, প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান মো. আবদুল আলীম, জবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নূর মোহাম্মদ, প্রক্টর মোস্তফা কামাল, ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের কনসালট্যান্ট মিজানুর রহমান কল্লোল প্রমুখ বক্তব্য দেন।

মন্তব্য