kalerkantho

শুক্রবার  । ১৮ অক্টোবর ২০১৯। ২ কাতির্ক ১৪২৬। ১৮ সফর ১৪৪১              

শেবাচিমে প্রতি ঘণ্টায় ভর্তি হচ্ছে তিনজন

শয্যা সংকট দেখা দেওয়ায় রোগীদের হাসপাতালের বারান্দা ও মেঝেতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে

বরিশাল অফিস   

৭ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) প্রতিদিনই বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৯৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত) ভর্তি হয়েছে ৭১ জন। সে হিসাবে গড়ে ঘণ্টায় তিনজন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী এ হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। ফলে হাসপাতালে শয্যা সংকট দেখা দিয়েছে। বাধ্য হয়ে রোগীদের হাসপাতালের বারান্দা ও মেঝেতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

হাসপাতালে কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ জুলাই থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত শেবাচিমে ৩৭৭ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়। এদের মধ্য থেকে ১৮৪ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে ১৯৩ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ১১০, নারী ৬০ ও শিশু ২৩ জন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শেবাচিম হাসপাতালের এক চিকিৎসক বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসক ও কর্মচারী সংকট রয়েছে। এই সীমাবধ্যতার মধ্য দিয়েই ডেঙ্গু আক্রান্ত অতিরিক্ত প্রায় ৪০০ রোগীর চিকিৎসাসেবা চালানো হচ্ছে। আবার ঈদের ছুটিতে ডেঙ্গু আক্রান্তদের সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমনটা হলে তাদের হাসপাতালের অভ্যন্তরে রেখে চিকিৎসাসেবা দেওয়া অনেকটা অসম্ভব হয়ে পড়বে।

শয্যা সংকটের কথা স্বীকার করে হাসপাতালের পরিচালক ডা. বাকির হোসেন বলেন, ঈদে ঢাকা থেকে লঞ্চ ও বাসযোগে বরিশালমুখী মানুষের ঢল নামবে। ফলে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বরিশালে অনেকগুণ বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সে জন্য হাসপাতালের চতুর্থ তলায় ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতেও যদি রোগীদের স্থান সংকুলান না হয়, সে ক্ষেত্রে হাসপাতালের পূর্ব পাশে নির্মাণাধীন পাঁচতলা বিশিষ্ট নতুন ভবনের একটি ফ্লোরও প্রস্তুত করা হয়েছে। সেখানে কমপক্ষে ৫০০ রোগী রেখে চিকিৎসা দেওয়া যাবে। তিনি আরো বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের সুবিধার্থে হাসপাতালে একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। পাশাপাশি রোগীদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা