kalerkantho

যশোরে ওডোমাস উধাও

বেড়েছে মশা তাড়ানোর সরঞ্জামের দাম

বিশেষ প্রতিনিধি, যশোর   

৬ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ডেঙ্গুকে ইস্যু করে একশ্রেণির অসৎ ব্যবসায়ী মশা তাড়ানোর সরঞ্জামের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। এ সুযোগে বাজার থেকে উধাও হয়ে গেছে ওডোমাস ক্রিম (মশার কামড় থেকে রক্ষা পেতে ব্যবহৃত)। তা ছাড়া মশা তাড়ানোর স্প্রে, লিকুইড রিফিল, মসকুইটো কিলার ইলেকট্রিক র‌্যাকেট বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। দেশজুড়ে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ার কারণে এসব পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধির ফলে দাম বাড়িয়ে দিয়ে কোনো কোনো ব্যবসায়ী বাড়তি মুনাফা হাতিয়ে নিচ্ছে। যশোরের কয়েকজন ক্রেতা-বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

কিছুদিন আগেও মসকুইটো কিলারের (ইলেকট্রিক র‌্যাকেট) তেমন একটা চাহিদা ছিল না। চীন থেকে আমদানি করা ব্রাইট স্টার, সান মুনসহ আরো কয়েকটি ব্র্যান্ডের ইলেকট্রিক র‌্যাকেট আগে বিক্রি হয়েছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায়। এখন সেই র‌্যাকেট বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৪০০ টাকা। যশোর শহরের ইলেকট্রনিক মার্কেটের ইলেকট্রিক র‌্যাকেট বিক্রেতা দিলীপ মণ্ডল বলেন, ‘প্রতিটি র‌্যাকেটের দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। ঢাকা পাইকারি ব্যবসায়ীরা র‌্যাকেটের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।’

বেনাপোলের ব্যবসায়ী মো. নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আমি ঢাকা, যশোরে খুঁজে ওডোমাস ক্রিম পাইনি। বাচ্চাদের জন্য ভারত থেকে এই ক্রিম আনার ব্যবস্থা করেছি।’

যশোর শহরের রেলগেট তেঁতুলতলার গৃহবধূ নাছিমা খাতুন বলেন, ‘যশোরের দুটি বড় দোকান মুজিব সড়কের গ্রিন বাজার ও বড় বাজারের বিসমিল্লাহ স্টোরসহ আরো কয়েকটি দোকান খুঁজে ওডোমাস ক্রিমের সন্ধান পাইনি। শুনেছি দু-একটি দোকানে পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু দাম বেশি নেওয়া হচ্ছে।’ খবর নিয়ে জানা যায়, বর্তমানে ৮০ টাকা দামের ওডোমাস ক্রিমের টিউব ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মশা তাড়ানোর লিকুইড রিফিল ও বিভিন্ন কম্পানির স্প্রে বাজার মূল্য থেকে প্রকারভেদে ২০ থেকে ৫০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। মশারির দামও বেড়েছে বলে ক্রেতারা অভিযোগ করেছে।

এইচএমএম সড়কের ফারুক স্টোরের স্বত্বাধিকারী গোলাম ফারুক বলেন, ‘ডেঙ্গুর কারণে ওডোমাস ক্রিমের সংকট সৃষ্টি হয়েছে। আমদানি করা ওডোমাস বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না। তবে আমরা আগের দামেই মশা তাড়ানোর স্প্রে বিক্রি করছি।’

মন্তব্য