kalerkantho

বুধবার । ২৩ অক্টোবর ২০১৯। ৭ কাতির্ক ১৪২৬। ২৩ সফর ১৪৪১                 

মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা সপ্তাহ

নন্দীগ্রামে মশা মারার যন্ত্র বিকল

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি   

২ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মশক নিধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা সপ্তাহ উপলক্ষে বগুড়ার নন্দীগ্রামে শোভাযাত্রা, আলোচনাসভা ও লিফলেট বিতরণের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি পালন করা হয়। গত বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি শুধু কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয় লোকজন জানায়, মশক নিধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা সপ্তাহের উদ্বোধন হলেও কোথাও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানো হয়নি। এতে পৌরবাসীসহ উপজেলার সাধারণ মানুষ মশার যে যন্ত্রণা ভোগ করছিল, তা এখনো অব্যাহত আছে।

এদিকে প্রতিদিনই আক্রান্ত মানুষের সারি দীর্ঘ হচ্ছে। বাড়ছে হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা।

এমন পরিস্থিতিতে শহরে বা গ্রামে সবাই এখন রয়েছে ডেঙ্গু আতঙ্কে। নিজ নিজ উদ্যোগে যতটা সম্ভব বাসাবাড়ি এবং আঙিনা পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করছে। ঘরে জ্বালানো হচ্ছে কয়েল কিংবা মশা নিরোধক স্প্রে করা হচ্ছে।

তবে এখন পর্যন্ত মশা নিধনের ব্যাপারে সরকারি ও বেসরকারিভাবে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। পৌরসভায় ওষুধই নেই আবার ওষুধ ছিটানোর যে মেশিনটি আছে, সেটিও দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। বেশ কিছুদিন আগে পৌরসভার পক্ষ থেকে ৯টি ওয়ার্ডে মশা নিধনের বিকল্প ওষুধ স্প্রে করা হয়।

এবারও মশা মারার বিকল্প ওষুধ ও ফগার মেশিন এনে মশা নিধন করা হবে বলে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

পৌরসভার বাসিন্দা ইব্রাহিম আলী বলেন, ‘মশক নিধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা সপ্তাহের উদ্বোধন করা হলেও এখন পর্যন্ত এমন কোনো কার্যক্রম চোখে পড়েনি। মশক নিধন না করায় আমরা পৌরবাসী ডেঙ্গু আতঙ্কে ভুগছি।’

পৌরসভার মেয়র কামরুল হাসান সিদ্দিকী জুয়েল বলেন, সাত দিন মশা মারা হলে বা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালালেই মশা শেষ হবে, তা নয়। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। আগেও মশা মারা হয়েছে, ভবিষ্যতেও মারা হবে। বর্তমানে ওষুধও নেই, ফগার মেশিনও নষ্ট। মেশিনটি ঠিক করা যাচ্ছে না। তাই দু-এক দিনের মধ্যে বিকল্প উপায়ে মশা নিধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানো হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা