kalerkantho

জামালপুর

রোগীকেই কিনতে হচ্ছে স্যালাইন

জামালপুর প্রতিনিধি   

১ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জামালপুর সদর হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। হাসপাতালের প্যাথলজিতে গতকাল বুধবার সকাল থেকে ডেঙ্গু রোগ শনাক্তকরণ পরীক্ষা শুরু হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সীমিত পরিসরে কিছু ডেঙ্গু এনএস-১ টেস্ট ডিভাইস, ডেঙ্গু আইজিজি ও আইজিএম র‌্যাপিড টেস্ট ডিভাইস সংগ্রহ করেছে। ফলে রোগীদের বিনা মূল্যে রক্ত পরীক্ষা করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তবে হাসপাতালে স্যালাইন সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। বাইরে থেকে স্যালাইন কিনে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে বলে রোগীর স্বজনরা অভিযোগ করেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জামালপুর সদর হাসপাতালে গতকাল বুধবার সকালে নতুন করে আরো দুজন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে ২০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ফলে জেলায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৪ জনে। শনাক্ত হওয়া রোগীর সবাই ঢাকা থেকে আক্রান্ত হয়ে জামালপুরে এসে চিকিৎসা নিচ্ছে।

সদর হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি রোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্যালাইন সরবরাহ না থাকায় রোগীদের প্রত্যেককেই বাইরে থেকে স্যালাইন কিনতে হচ্ছে। ভর্তি রোগীদের মধ্যে অনেকেই মশারি বরাদ্দ না পাওয়ায় কয়েজনকে বাইরে থেকে মশারি কিনতে হয়েছে। রোগী বাড়তে থাকায় সাতজন রোগীকে জরুরি বিভাগে খোলা অস্থায়ী ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে।

ঢাকার মেহেরুন্নেছা গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্রী আয়শা খাতুন ঢাকায় বসে জ্বরে আক্রান্ত হন। ঢাকায় স্বজন না থাকায় জামালপুরে এসে গতকাল সকালে বাইরে থেকে রক্ত পরীক্ষার পর ডেঙ্গু শনাক্ত হয়। পরে তিনি জামালপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। চার-পাঁচ দিন পর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কারণে তাঁর অবস্থা গুরুতর হয়ে পড়েছে।

হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. প্রফুল্ল কুমার সাহা বলেন, ‘সীমিত পরিসরে কিছু ডেঙ্গু এনএস-১ টেস্ট ডিভাইস, ডেঙ্গু আইজিজি ও আইজিএম র‌্যাপিড টেস্ট ডিভাইস আনা হয়েছে। ফলে রোগীরা বিনা মূল্যে পরীক্ষা করাতে পারছে।’

 

মন্তব্য