kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৯ ডিসেম্বর ২০২১। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩

তিন দিন পরই বড়দিন

২২ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



তিন দিন পরই বড়দিন

তিন দিন পরই বড়দিন। যিশুখ্রিস্টকে ভালোবাসা জানাতে খ্রিস্টধর্মাবলম্বীরা ছুটে যাবেন চার্চে। বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি চার্চ নিয়ে আজকের নির্মাণ। লিখেছেন রিদওয়ান আক্রাম, নাঈম সিনহা ও মারজান ইমু। ছবি তুলেছেন মোহাম্মদ আসাদ, রবি চক্রবর্তী রিদওয়ান আক্রাম

 

পাথরঘাটা গির্জা, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম শহরের পাথরঘাটা এলাকার বান্ডেল সড়কে অবস্থিত ‘আওয়ার লেডি অব দ্য হলি রোজারিও ক্যাথেড্রাল চার্চ’। এটি ‘পাথরঘাটা গির্জা’ নামেও পরিচিত। দেশের প্রাচীনতম এই গির্জা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৬০০ খ্রিস্টাব্দে। ফাদার ফ্রান্সিসকো ফার্নান্দেজ এস জে ও আন্দ্রে বোভে তৎকালীন আরাকান (বর্তমান পশ্চিম মিয়ানমার) রাজার আর্থিক সাহায্য নিয়ে গির্জাটি নির্মাণ করেন। ১৬০২ খ্রিস্টাব্দে আরাকানিদের হাতে ধ্বংস হওয়ার পর ১৮৩৪ সালে পুনর্নির্মাণ করা হয় এই গির্জা। এর পর থেকে আজও এখানে নিয়মিত উপাসনা করা হয়। এক একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত গির্জার উপাসনালয়ে ৫০০ লোকের বসার জায়গা আছে। গির্জার দেয়ালে শোভা পাচ্ছে যিশুর ম্যুরাল ও তেলরঙে আঁকা ছবি। গির্জার পাশে অবস্থিত কবরস্থানে স্যার হেনরি লিল্যান্ড হ্যারিসনের সমাধি রয়েছে। সাদা মার্বেল পাথরে সমাধিটি মোড়ানো। জনশ্রুতি রয়েছে, হ্যারিসনের সমাধিতে ভেতরে প্রবেশের জন্য সিঁড়ি রয়েছে। হেনরি লিল্যান্ড হ্যারিসন একজন লেখক ছিলেন। তাঁর লেখা বই ‘বেঙ্গল এমব্যাংকমেন্ট ম্যানুয়াল’-এ বাঁধ ও নদীর প্রবাহ সম্পর্কে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের বর্ণনা রয়েছে। ১৮৭৫ সালে কলকাতার বেঙ্গল সেক্রেটারিয়েট প্রেস থেকে বইটি সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়।

সেন্ট নিকোলাস চার্চ, গাজীপুর

গাজীপুরের নাগরী ইউনিয়নে ষোড়শ শতকের শেষ দিকে পর্তুগিজরা বসতি স্থাপন করে। আর সম্রাট আওরঙ্গজেবের অনুমতিক্রমে ১৬৬৪ সালে এখানে এই গির্জা স্থাপন করা হয়। এটি তৈরির সময়কাল নিয়ে অনেক বিভ্রান্তি থাকলেও শেষ পর্যন্ত এতটুকু নিশ্চিত হওয়া যায় যে বর্তমান স্থাপনাটি যে ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে, তা অতি প্রাচীন। আর ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে বাংলাদেশের অনেক ঔপনিবেশিক স্থাপনার মতো ধ্বংসের মুখোমুখি হয়েছিল সেন্ট নিকোলাস চার্চটিও। কালীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে বালু ও শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে অবস্থিত এই চার্চ। খ্রিস্টধর্মাবলম্বী অধ্যুষিত একটি ঐতিহাসিক জনপদ, যা বাংলাদেশের অন্যতম বড় খ্রিস্টান মিশনারির অংশ। নাগরী থেকে কালীগঞ্জের আঞ্চলিক বাংলা ভাষার প্রথম বাইবেল অনূদিত হয়। সর্বপ্রথম বাংলা ভাষার দ্বিভাষিক অভিধান ও প্রথম গদ্যের বইও এখান থেকেই প্রকাশিত হয়।

আরমানি গির্জা, ঢাকা

আরমানিরা ঢাকায় যে অঞ্চলে বসবাস করত, কালক্রমে তার নাম হয়ে যায় আরমানিটোলা। মুসলিম শাসনামলে কিন্তু এই এলাকার নাম ছিল ‘আলে আবু সাঈদ’। ১৮৩০ খ্রিস্টাব্দের দিকে ঢাকা শহরে ৪০টির মতো আরমানি পরিবার ছিল। আরমানিটোলায় একটু গোছগাছ করে বসার পর আরমানিরা এখানে নির্মাণ করেছিল তাদের গির্জা। এই প্রার্থনালয়টি ১৭৮১ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়। ঢাকায় বেড়াতে আসা পর্যটকরা তাদের নিয়ে ধোলাইখালের কাছে যে গির্জার কথা উল্লেখ করে গেছেন, তা-ই সম্ভবত এই আরমানি গির্জা। এখানে একটি কবরস্থান ছিল। গির্জা নির্মাণের জন্য কবরস্থানের আশপাশের বেশ কিছু জায়গা দান করেছিলেন ‘আগা মিনাস ক্যাটচিফ’। লোকশ্রুতি অনুযায়ী, গির্জাটি নির্মাণে সাহায্য করেছিলেন চারজন আরমানি। তাঁদের নাম হলো মাইকেল সার্কিস, অক্টো-ভাট সেতুর জিভর্গ, আগা এমানিয়াজ ও মার্কার পগোজ। গির্জা উদ্বোধন উপলক্ষে মোটামুটি ছোটখাটো একটা উৎসবও হয়েছিল। আরমানিরা মিছিল করে ব্যান্ড বাজিয়েছিল।

চার্চটি লম্বায় সাড়ে ৭০০ ফুট। চারটি দরজা এবং ২৭টি জানালা। ১৪ ফুট প্রশস্ত এক বারান্দা দিয়ে ঢুকতে হয় গির্জায়। দালানের ভেতরের মেঝে তিন ভাগে বিভক্ত, রেলিং দিয়ে ঘেরা একটি বেদি; মাঝখানের অংশে দুটি ফোল্ডিং দরজা; বেষ্টনী দিয়ে আলাদা করা তৃতীয় ভাগটিতে শুধু মহিলা ও বাচ্চারা বসে থাকে। প্রার্থনাকক্ষে একসঙ্গে ১৫০ থেকে ২০০ মানুষ প্রার্থনা করতে পারে। প্রার্থনাকক্ষের প্রধান প্রবেশদ্বারের একপাশে একটি সুদৃশ্য কাঠের সিঁড়ি। সিঁড়ি বেয়ে পাটাতনে ওঠা যায়। পাটাতনের দুই পাশের দরজা দিয়ে ছাদে যাওয়ার ব্যবস্থা আছে।

আলাদা করে দাঁড়িয়ে আছে একটি স্থূল বর্গাকার টাওয়ার। চূড়ায় আছে চারটি শঙ্খিল মিনার। চার দেয়ালের মাঝে, মাটি থেকে কয়েক ফুট উঁচুতে দেয়ালে লাগানো আছে একটি মার্বেল ফলক। আরমানি ও ইংরেজি ভাষায় তাতে লেখা আছে—মি. সার্কিস ঈশ্বরকে উৎসর্গ করেছেন এই চমৎকার জাঁকালো মিনার।

গির্জাটিতে বেশ বড় আকারের একটি ঘণ্টা ছিল। এটি কবে স্থাপিত হয়েছিল, সে সম্পর্কে জানা না গেলেও ১৮৪০ সালে ঢাকায় ঘুরতে আসা কর্নেল ডেভিডসন এই ঘণ্টা দেখেছিলেন। এটির আওয়াজ শুনে ঢাকাবাসী দিনের সময় নির্ধারণ করত। ঘণ্টাটি ঘড়ির সময়ের সঙ্গে মিল রেখে বাজানো হতো। চার্চের ঘণ্টিটিও বেশ নামকরা ছিল। নির্মাণ করেছিলেন জোহানসকাব্রু পিয়েত সার্কিস। ১৮৮০ খ্রিস্টাব্দের আগে এই ঘণ্টার শব্দ চার মাইল দূর থেকেও শোনা যেত। উনিশ শতকের শেষের দিকে আরমানিরা গির্জার ব্যয় কমানোর জন্য ঘণ্টাবাদককে বিদায় করে দেয়। যেহেতু ঢাকাবাসী সময়ের ব্যাপারে এই ঘণ্টার ওপরই নির্ভর করত, তাই এটি বন্ধ করে দেওয়ায় জনপ্রিয় পত্রিকা ‘ঢাকা প্রকাশ’ অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে।

গির্জাটির চারদিকে রয়েছে পাকা করা অনেকগুলো সমাধি। অষ্টাদশ শতকের পুরনো কবরও আছে। বেশির ভাগ স্মৃতিফলকে মৃতের নাম এবং ধর্মগ্রন্থের বাণী উদ্ধৃত রয়েছে এবং একেকটি পরিবারের সদস্যকে একেক সারিতে সমাহিত করা হয়েছে।

সেন্ট থমাস চার্চ, ঢাকা

ঢাকার পুরনো গির্জাগুলোর অন্যতম সেন্ট থমাস চার্চ। গির্জাটি ঢাকা জেলের কয়েদিদের শ্রমের বিনিময়ে ১৮১৯ সালে নির্মিত হয়। পুরান ঢাকার শাঁখারীবাজারের পূর্ব পাশে এবং বাহাদুর শাহ পার্কের উত্তর পাশে এটি অবস্থিত। এই গির্জার প্রধান আকর্ষণ চূড়ায় বড় আকারের ঘড়ি।

১৮২৪ সালের ১০ জুলাই কলকাতার বিশপ রেজিনাল্ড হেবার ঢাকায় এসে এর উদ্বোধন করেন। ১৯৫১ সাল পর্যন্ত এটি ক্যাথেড্রাল চার্চ হিসেবে সক্রিয় ছিল। উনিশ শতকের শুরুর দিকে গির্জাটি বাংলায় প্রটেস্ট্যান্ট মতবাদ প্রসারে ভূমিকা রাখে।

সেন্ট থমাস চার্চে পূর্বাঞ্চলীয় গির্জাগুলোর মতো একটি বর্গাকার ঘড়ি টাওয়ার আর দেয়ালে তোরণের মতো জানালা রয়েছে। মূল প্রবেশদ্বারের সামনে চারটি স্তম্ভের ওপর স্থাপিত একটি ছোট ছাউনি রয়েছে, যা গথিক স্থাপত্যে নির্মিত। এর ছাদে ছোট বর্গাকার বেষ্টনী বা প্যারাপেট রয়েছে। আয়তাকার কেন্দ্রীয় কক্ষের পেছনে দুটি স্তম্ভ আছে। পুলপিট আয়তাকার, এর পেছনের দেয়ালে পিতলের ক্রসচিহ্ন আছে। বেদি কাঠের তৈরি আর এর ওপরও একটি পিতলের ক্রসচিহ্ন রয়েছে। বেদিটি পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত। মূল কক্ষের পেছনে আছে একটি শিলালিপি। ছাদে কাঠের ফালি আর মেঝেতে টাইলস লাগানো। ২০০ বছরের পুরনো হলেও সাদা প্লাস্টার করা ভবনটির পাথর আর ইটের কাঠামো এখনো আভিজাত্য ধরে রেখেছে। ২০০৫ সালে কর্তৃপক্ষ গির্জাটির ব্যাপক সংস্কার করে।

তেজগাঁও গির্জা, ঢাকা

বাংলায় পর্তুগিজরা প্রথম পা রাখে ১৫১৭ খ্রিস্টাব্দে। সে সময় তারা মূলত মসলার বাণিজ্যেই বেশি মনোযোগী ছিল। ১৬১৬ খ্রিস্টাব্দে ঢাকায় পর্তুগিজদের প্রথম মিশন স্থাপন করা হয়। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে পর্তুগিজদের ব্যাবসায়িক মনোভাব রাজনীতিতে চলে যায় এবং এ নিয়ে বিরোধ শুরু হয় শাসক মোগলদের সঙ্গে। ঢাকার সুবেদার শায়েস্তা খাঁ ১৬৬৬-৬৭ খ্রিস্টাব্দে পর্তুগিজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ অভিযান করেন। যুদ্ধে পর্তুগিজরা পরাজিত হয়ে শায়েস্তা খাঁর সঙ্গে শান্তিচুক্তি করে। এই চুক্তির বলে পর্তুগিজরা ঢাকার তেজগাঁওয়ে বাণিজ্যকুঠি স্থাপনের অনুমতি পায়। তেজগাঁওয়ে তখন পর্তুগিজরা ছাড়া ওলন্দাজ, ফরাসি, ইংরেজ, গ্রিক ও আরমানিদের বাণিজ্যকুঠি ছিল।

স্বভাবতই এলাকাটি ইউরোপীয় ও এশীয় খ্রিস্টানদের পদচারণে মুখর হয়ে ওঠে। সেখানে তাদের ধর্ম পালনের জন্য একটি গির্জা প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন দেখা দেয়। বর্তমানে গির্জাটি ‘জপমালারানির গির্জা’ নামে অধিক পরিচিত। এটি একটি ক্যাথলিক গির্জা। তেজগাঁওয়ের গির্জাটি ঠিক কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, সে সম্পর্কে মতভেদ থাকলেও মোটামুটিভাবে ধরে নেওয়া যায়, ১৬৭৭ সালের আশপাশে। সুবে বাংলার রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে স্থানান্তরের কারণে তেজগাঁওয়ের গুরুত্ব কমে যায়। ফলে গির্জাটি একপ্রকার বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু ১৭১৪ খ্রিস্টাব্দে আবার গির্জাটি মুখর হয়ে ওঠে। গির্জাটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২১০ ফুট, উচ্চতা ২৫ ফুট, প্রস্থ ৩২ ফুট এবং দেয়াল ২০ ইঞ্চি পুরু। প্রবেশপথ পাঁচটি—একটি পশ্চিম দিকে, দুটি দক্ষিণে এবং দুটি উত্তরে। গির্জায় আলো-বাতাস প্রবেশ করার জন্য উত্তর ও দক্ষিণ দেয়ালে ৯টি করে মোট ১৮টি জানালা রয়েছে। গির্জাটির ভেতরের অংশ মোটামুটি চারটি অংশে বিভক্ত।

বাংলাদেশের স্থাপত্যে তেজগাঁওয়ের গির্জাটি অতুলনীয়। এটা ‘হিন্দু, মুসলিম ও খ্রিস্টান’—এই তিনটি স্থাপত্যরীতির সমন্বয়। গির্জাটির দুটি সারিতে মোট ১২টি মজবুত স্তম্ভ রয়েছে। মূল গির্জাটি পরবর্তীকালে সংস্কার ও পুনর্গঠিত হয়েছে। যে মঞ্চের ওপর গির্জার বেদিটি রয়েছে, সেটি এই গির্জার প্রাচীনতম অংশ। গির্জাটির ভেতরের দেয়ালে ইংরেজ, গ্রিক ও আরমানিদের ৪৩টি কবরের এপিটাফ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে পুরনো এপিটাফটির বয়স প্রায় ৩০০ বছর। গির্জাটির পাশেই রয়েছে সমসাময়িক একটি কবরস্থান। গির্জাটি এখনো খ্রিস্টীয় প্রার্থনার কাজে ব্যবহৃত হয়। এখানে একসঙ্গে ৮০০ থেকে ৯০০ ব্যক্তি প্রার্থনা করতে পারে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে এই গির্জাকে কেন্দ্র করে খ্রিস্টানদের বিভিন্ন সংঘ, সমিতি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে।

অক্সফোর্ড মিশন চার্চ, বরিশাল

বরিশালের এপিফানি গির্জা বা অক্সফোর্ড মিশন চার্চ উচ্চতার দিক থেকে এশিয়া মহাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম গির্জা। এখানেই দিনে সাতবার বেজে ওঠে ঘণ্টা। বরিশাল শহরের বগুড়া সড়কে এটি অবস্থিত। খোলা সবুজ প্রান্তরের মাঝে বিশাল লাল রঙের গির্জাটি সহজেই সবার দৃষ্টি কাড়ে। ১৯০৩ সালে এই গির্জার প্রথম ধাপের কাজ সম্পন্ন হয় এবং ওই বছরের ২৬ জানুয়ারি উদ্বোধন হয়। দ্বিতীয় ধাপের কাজ চলে ১৯০৭ সাল পর্যন্ত।

গির্জাটি একতলা হলেও এর উচ্চতা পাঁচতলা ভবনের সমান। প্রায় ৫০ ফুট। সিস্টার এডিথের স্কেচ ও ডিজাইনে ফাদার স্ট্রং এই গির্জার নকশা চূড়ান্ত ও উন্নত করেন। এর প্রধান প্রকৌশলী ব্রিটিশ নাগরিক ফ্রেডরিক ডগলাস। গ্রিক স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত এই গির্জার প্রধান আকর্ষণ বিশাল ও নান্দনিক প্রার্থনা হল। প্রার্থনা হলের ভেতরের ছাদ কাঠ দিয়ে আচ্ছাদিত, ফ্লোরে সুদৃশ্য মার্বেলের টাইলস। মূল বেদির ওপর একটি বড় ক্রস আছে।

গির্জাটি দাঁড়িয়ে আছে ৪০টি খিলানের ওপর। ৩৫ একর জমির ওপর উঁচু দেয়াল দিয়ে ঘিরে রয়েছে ১৩টি  ছোট-বড় পুকুর, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়, হোস্টেল, ফাদার ও সিস্টারদের আবাসন, লাইব্রেরি ও হাসপাতাল।

 



সাতদিনের সেরা