kalerkantho

শনিবার । ৩ আশ্বিন ১৪২৮। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১০ সফর ১৪৪৩

মালদ্বীপ প্রজাতন্ত্রের মান্যবর হাইকমিশনারের বাণী

শিরুজিমাথ সামির, মান্যবর হাইকমিশনার

২৬ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মালদ্বীপ প্রজাতন্ত্রের মান্যবর হাইকমিশনারের বাণী

স্বাধীনতার ৫৬তম বার্ষিকীর আনন্দঘন উপলক্ষে আমি মহামান্য রাষ্ট্রপতি ইব্রাহিম মোহাম্মদ সোলিহ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাননীয় আব্দুল্লা শহিদ, মালদ্বীপ সরকার এবং বাংলাদেশ ও বিদেশে বসবাসরত মালদ্বীপের জনগণের প্রতি আমার আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।

এ বছর মালদ্বীপ ও বাংলাদেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের ৪৩তম বার্ষিকী। এই আনন্দময় উপলক্ষে আমি চার দশকেরও বেশি সময় জুড়ে অবিচল বন্ধুত্ব ও জোরালো অংশীদারি প্রদর্শন করে আসা বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারকে উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই। আমাদের দুই দেশের সরকার ও জনগণের মধ্যে গড়ে ওঠা নিবিড় দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার আলোকে আমি মনে করি, আমাদের সম্পর্ক এ বছর আরো উচ্চতায় উন্নীত হয়েছে। এ বছরের মার্চে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ইব্রাহিম মোহাম্মদ সোলিহ বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে যোগ দিতে বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় সফর করেন। এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল্লা শহিদ একটি সরকারি সফর করেছিলেন। উভয় সফরের সময় মৎস্যজীবী, মানবসম্পদ সংস্থাপন, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পর্যায়ে আলোচনাসহ বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে নতুন চুক্তির মাধ্যমে আমাদের দেশগুলোর মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পৃক্ততা আরো বাড়ানো হয়েছে।

অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক বাংলাদেশি আমাদের দেশে নির্মাণ, পর্যটন ও কৃষির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন খাতে কাজ করার মাধ্যমে প্রবল দক্ষতার ঘাটতি পূরণে সহায়তা করছে এবং এর মাধ্যমে আমাদের উন্নয়ন কর্মসূচিতে অবদান রাখছে। আমাদের উভয় দেশের অর্জিত অর্থনৈতিক বিকাশের পর এখন আমাদের অবশ্যই নিজেদের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর আরো বেশি চেষ্টা করতে হবে।

বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর চিকিৎসাদল মোতায়েন, বাংলাদেশ ও নেপালে আটকে পড়া মালদ্বীপের নাগরিকদের প্রত্যাবাসন ও ত্রাণ সহায়তার মাধ্যমে চলমান কভিড-১৯ মহামারি মোকাবেলায় মালদ্বীপকে  অব্যাহতভাবে সহযোগিতা করার জন্য এই সুযোগে আমি বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানাই।

বাংলাদেশে কভিড-১৯ মহামারি পরিস্থিতি মোকাবেলায় বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার আমি প্রশংসা করি।

আগামী বছরগুলোতে আমাদের দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বের বন্ধন আরো জোরদার হবে—এটিই আমার প্রত্যাশা। আমি আমাদের উভয় দেশ ও দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের জন্য অব্যাহত অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করি।



সাতদিনের সেরা