kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০২২ । ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

সংযুক্ত করে নেওয়া ইউক্রেনীয় ভূখণ্ডে এখন কী হবে

অনলাইন ডেস্ক   

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ২২:৪০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সংযুক্ত করে নেওয়া ইউক্রেনীয় ভূখণ্ডে এখন কী হবে

রাশিয়ার সংযুক্ত করে নেওয়া ইউক্রেনীয় ভূখণ্ডে এখন ঠিক কী ঘটবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। এমনকি ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভও সুনির্দিষ্ট করে বলতে পারেননি রাশিয়া অধিকৃত দক্ষিণ ইউক্রেনের ঠিক কোথায় তার নতুন সীমানা আঁঁকবে।

পেসকভ বলেছেন, দোনেত্স্ক অঞ্চলের পুরোটাই নিজের অংশ হিসেবে বিবেচনা করবে রাশিয়া। ওই অঞ্চলের যেসব অংশ রাশিয়ার দখলে নেই সেসব অংশ ‘মুক্ত করতে হবে’ বলে মন্তব্য করেছেন পেসকভ।

বিজ্ঞাপন

কার্নেগি এনডাউমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিস গবেষণা প্রতিষ্ঠানের পল স্ত্রনস্কি বলেন, ‘এটা রাশিয়ার জনগণ এবং রাশিয়া রাষ্ট্রের জন্য অন্যদিকে দৃষ্টি ফেরানোর উপলক্ষ মাত্র। বাস্তবে সামান্যই পরিবর্তন হবে৷’

ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন আক্রমণের আগে রাশিয়া দেশটির পূর্বাঞ্চলের দুটি ভূখণ্ডের পুরোটাকেই ‘স্বাধীন গণপ্রজাতন্ত্র’ হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছিল। এখন মস্কো তাদের সরাসরি রাশিয়ার অঞ্চল হিসাবে সংজ্ঞায়িত করবে।

প্রেসিডেন্ট পুতিন ভূখণ্ডগুলোর ইউক্রেনীয় সার্বভৌমত্ব কেড়ে নেওয়ার পরে এ সংক্রান্ত চুক্তি রাশিয়ার পার্লামেন্টের উভয় কক্ষে উত্থাপন করবেন। আগামী শুক্রবার পুতিনের ৭০ তম জন্মদিন। এর আগেই তিনি পার্লামেন্টে এ বিষয়ে ভাষণ দেবেন। তারপরেই চুক্তিটি রাশিয়ার সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হবে।

নির্বাসিত রাজনৈতিক ভাষ্যকার একাতেরিনা শুলমান বলেছেন, ‘এর পর থেকে রাশিয়া দেশটি তার অস্তিত্বের এক নতুন পর্বে প্রবেশ করবে। এটি একটি অবৈধ সীমান্তযুক্ত রাষ্ট্র’ হয়ে উঠবে। এর মধ্যে এমন সব অংশ থাকবে যা কেবল অন্য কোনো রাষ্ট্র বা আন্তর্জাতিক সংস্থার স্বীকৃিতবিহীনই নয়, তাতে কোনো কেন্দ্রীভূত প্রশাসনও নেই। ’

 

প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কি রাশিয়ার পরিকল্পনার প্রতিক্রিয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য তার প্রতিরক্ষা প্রধানদের সাথে বৈঠক করেছেন। তিনি ইতিমধ্যে স্পষ্ট করে বলেছেন, সংযুক্তিকরণ ক্রেমলিনকে তারা যা আশা করে তা দেবে না।

জেলেনস্কি তার এতদিনের অবস্থান বদল করে শুক্রবারই ন্যাটো সদস্যপদের আবেদনে স্বাক্ষর করেছেন। ন্যাটো রাশিয়ার সঙ্গে সংঘাত এড়াতে চেয়েছিল বলে যুদ্ধের শুরুর দিকে জেলেনস্কি বলেছিলেন, ইউক্রেন আর ন্যাটোর সদস্য হতে চাইবে না। এখন তিনি সে পথেই হাঁটছেন। এর জন্য অবশ্য জোটটির ৩০ সদস্যের সবার সম্মতি লাগবে। এর মধ্যে তুরস্কের সম্মতি পাওয়া কঠিন হবে।

জেলেনস্কি বলেছেন, ‘ইউক্রেন আমাদের ভূমির কোনো অংশ দখলের জন্য রাশিয়ার কোনো প্রচেষ্টা সহ্য করতে পারে না এবং করবেও না। ’ সূত্র: বিবিসি



সাতদিনের সেরা