kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

ইউক্রেনের আরো ৪ এলাকা যুক্ত করে নিতে যাচ্ছে রাশিয়া

অনলাইন ডেস্ক   

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১৮:৩৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ইউক্রেনের আরো ৪ এলাকা যুক্ত করে নিতে যাচ্ছে রাশিয়া

মস্কাের রেড স্কোয়ারে শুক্রবারের অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি-ছবি: এএফপি

প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে ইউক্রেনের আরও চারটি অঞ্চলকে রাশিয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে সংযুক্ত করার আদেশে স্বাক্ষর করবেন। ইউক্রেন ও তার মিত্র পশ্চিমাদের কাছে নিন্দিত বিতর্কিত গণভোটের পর রাশিয়া এ কাজ করছে।

ইউক্রেনের সংশ্লিষ্ট অঞ্চলগুলোতে নিযুক্ত রাশিয়ার-মদদপুষ্ট কর্মকর্তারা এর আগে দাবি করেছিলেন, পাঁচ দিনের ভোটে প্রায় শতভাগ মানুষ রাশিয়ায় যোগ দেওয়ার পক্ষে সমর্থন জানিয়েছে।

পূর্ব ইউক্রেনের লুহানস্ক ও দোনেত্স্ক এবং দক্ষিণে জাপোরিঝিয়া ও খেরসনে কথিত এ গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।

বিজ্ঞাপন

রাশিয়ার প্র্রেসিডেন্ট ক্রেমলিনে এ উপলক্ষে একটি বড় ভাষণ দেবেন। মস্কোর রেড স্কোয়ারে ইতিমধ্যেই একটি মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। সেখানে স্থাপিত বিলবোর্ডে চারটি অঞ্চলকে রাশিয়ার অংশ হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে। সন্ধ্যায় একটি কনসার্টেরও পরিকল্পনা রয়েছে।

ক্রেমলিন মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, ‘শুক্রবার গ্র্যান্ড ক্রেমলিন প্যালেসের সেন্ট জর্জ হলে রাশিয়ার নতুন অঞ্চলগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করা নিয়ে এক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান হবে। ’ পূর্ব ইউক্রেন থেকে দুই রুশ-সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাও অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

এ ঘটনাটি ২০১৪ সালে রাশিয়ার ক্রিমিয়াকে যুক্ত করে নেওয়ার কথা মনে করিয়ে দেয়। সেটিও এক বিতর্কিত গণভোটের মাধ্যমে করা হয়েছিল। সেবারও একটি মঞ্চ থেকে প্রেসিডেন্ট বিজয় বক্তৃতা দেন। ক্রিমিয়াকে সংযোজন করে নেওয়ার বিষয়টিকে আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়ের বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ কখনোই স্বীকৃতি দেয়নি।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, রাশিয়ার এ উদে‌্যাগের লক্ষ্য হচ্ছে, অধিকৃত ইউক্রেনীয় ভূখণ্ডে রুশ সেনাদের  ওপর হামলাকে  রাশিয়ার ওপর হামলা হিসেবে দাবি করা যাবে।  

এছাড়া রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট তার ৭০ তম জন্মদিনের তিন দিন আগে, ৪ অক্টোবর পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষে একটি পৃথক ভাষণ দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। রাশিয়ার সংযুক্তিকরণ অনুমোদনের ক্ষেত্রে পার্লামেন্টেরও ভূমিকা থাকবে।

গণভোট প্রক্রিয়াটি স্বাধীনভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়নি। অনেক ক্ষেত্রেই নির্বাচনী কর্মকর্তারা সশস্ত্র সেনা নিয়ে ঘরে ঘরে গিয়ে ব্যালটে ভোট নিয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

সূত্র: বিবিসি

 



সাতদিনের সেরা