kalerkantho

রবিবার । ২ অক্টোবর ২০২২ । ১৭ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

পুতিনের ঘোষণার পরেই দেশ ছাড়ছে রাশিয়ানরা

অনলাইন ডেস্ক   

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১০:৩৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পুতিনের ঘোষণার পরেই দেশ ছাড়ছে রাশিয়ানরা

ছবি : বিবিসি

দেশের পূর্বাঞ্চলে ইউক্রেনের বাহিনীর সাম্প্রতিক সাফল্যের জেরে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন রুশ সামরিক অভিযান আরো জোরদার করতে রিজার্ভ সেনাদের বাহিনীতে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।  ৩ লাখ সেনা সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট পুতিন।  এরপর থেকেই আতঙ্কে দেশ ছাড়ার ধুম পড়েছে রাশিয়া জুড়ে।   

স্থানীয় সময় গত বুধবার টেলিভিশনে প্রচারিত জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে সেনা বাড়ানোর নির্দেশ দেন পুতিন।

বিজ্ঞাপন

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথমবার রিজার্ভ সেনাদের ডেকেছেন কোনো রুশ প্রেসিডেন্ট।

যুদ্ধে যাওয়া বয়সী যুবকদের সীমান্ত এলাকায় সবচেয়ে বেশি ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। অনেকে গাড়ি নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে অপেক্ষা করছেন সীমান্ত পার হওয়ার জন্য। বিবিসির প্রতিবেদন বলা হয়েছে, প্রতিবেশী জর্জিয়া সীমান্তে তরুণদের গাড়ির সংখ্যাই বেশি। ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ না নিতে দেশ ছাড়ছেন তারা। তবে ক্রেমলিন অস্বীকার করে জানিয়েছে, যুবকদের দেশত্যাগের হিড়িকের খবর অতিরঞ্জিত। আরো জানা যায় জর্জিয়ার সীমান্তে, যুদ্ধ থেকে পালানোর চেষ্টা করা যুবক সহ যানবাহনের লম্বা সারি তৈরি হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বিবিসি'র রায়হান ডেমিট্রিকে বলেছেন, প্রেসিডেন্ট পুতিনের ঘোষণার পরপরই তিনি তার পাসপোর্টটি নিয়ে সীমান্তের দিকে রওনা হয়েছিলেন এবং অন্য কিছু না নিয়েই সীমান্তে চলে গিয়েছিলেন কারণ, তিনি এমন একটি দলে পড়েছিলেন যাদের সম্ভবত যুদ্ধে পাঠানো হতে পারে।

জর্জিয়া-রাশিয়া সীমান্তে আপার লারস চেকপয়েন্টে প্রচুর গড়ি জমে যাওয়ায় যেখানে রীতিমত দীর্ঘ যানজট। কয়েকটি দেশের মধ্যে জর্জিয়ায় ভিসা ছাড়াই প্রবেশ করতে পারেন রুশ নাগরিকরা। তুরস্কের ইস্তানবুল, বেলগ্রেড এবং দুবাইয়ের টিকিটের দাম বেড়েছে প্রচুর। পুতিনের ঘোষণার পরপরই টিকিট শেষ হয়ে গেছে। কেউ কেউ আকাশপথে দেশ ছাড়ছেন।

যুবকদের দেশ ছাড়ায় নিষেধাজ্ঞা জারি করছে প্রশাসন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ের আগাম অনুমতি ছাড়া কেউ দেশের বাইরে যেতে না পারেন। এমনই ব্যবস্থা নিয়েছে পুতিন সরকার। দেশবাসীর একাংশের আশঙ্কা, যে কোনও মুহূর্তে রাশিয়ায় সামরিক শাসন জারি হতে পারে। পাশাপাশি, দেশ জুড়ে নতুন শক্তিতে যুদ্ধ বিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। সেন্ট পিটার্সবার্গ বেশ কয়েকটি বড় শহরে বড় ধরনের বিক্ষোভ করেছে নাগরিকরা। বিক্ষোভ দমাতে কঠোর অবস্থানে পুতিন প্রশাসন। সবশেষ ১৩০০ বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

খবর: বিবিসি।



সাতদিনের সেরা