kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ অক্টোবর ২০২২ । ১৯ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

স্বাধীনতার হীরক জয়ন্তী উদযাপিত পাকিস্তানে

অনলাইন ডেস্ক   

১৫ আগস্ট, ২০২২ ১১:১২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



স্বাধীনতার হীরক জয়ন্তী উদযাপিত পাকিস্তানে

স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ। ছবি: দ্য ডন

পাকিস্তানিরা রবিবার উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করেছে। এ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন শহরে স্মারক অনুষ্ঠান হয়। এ বছর স্বাধীনতার ৭৫ বছর হওয়ায় এর হীরক জয়ন্তী উদযাপন করছে দেশটি।

রেডিও পাকিস্তানের তথ্য মতে, ইসলামাবাদে ৩১ বার ও প্রাদেশিক সদর দপ্তরে ২১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিনটি শুরু হয়।

বিজ্ঞাপন

এদিনে পাকিস্তানের নিরাপত্তা ও অগ্রগতি এবং জনগণের কল্যাণের জন্য দোয়া করা হয়।

করাচিতে দেশটির জাতির পিতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সমাধিতে গার্ড পরিবর্তনের অনুষ্ঠান হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তান এ উপলক্ষে ৭৫ রুপির স্মারক নোটের নকশা উন্মোচন করে। নোটটিতে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে জিন্নাহ ছাড়াও স্যার সৈয়দ আহমেদ খান, আল্লামা ইকবাল এবং ফাতিমা জিন্নাহর প্রতিকৃতি রয়েছে।

স্বাধীনতার ৭৫ বছর উদযাপন করে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ দেশকে একটি অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করার অঙ্গীকার করেছেন। ইসলামাবাদের জিন্নাহ কনভেনশন সেন্টারে পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার সময় শাহবাজ পাকিস্তানকে একটি অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করার জন্য জাতীয় সংলাপ এবং অর্থনৈতিক কর্মসূচির বিষয়ে ঐকমত্য গড়ে তোলার ওপর জোর দেন।  

শাহবাজ শরীফ বলেন, ‘আমরা যদি পারমাণবিক শক্তি হতে পারি, তাহলে আমরা অর্থনৈতিক শক্তিও হতে পারি। তবে এর জন্য আমাদের দিনরাত চেষ্টা করতে হবে। বিশ্বের কাছে প্রমাণ করতে হবে আমরা কারো চেয়ে কম নই। ’

এ উপলক্ষে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ২৫৩ জন পাকিস্তানি নাগরিক ও বিদেশিকে বেসামরিক পুরস্কার প্রদান করেন। বিভিন্ন ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠত্ব এবং সাহস দেখানোর জন্য এ পুরস্কার দেওয়া হয়। প্রেসিডেন্ট পাকিস্তান সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা ও সেনাদের সামরিক পুরস্কারও দেন।

অর্থনৈতিক সাফল্যের দাবি সরকারের

একইসঙ্গে স্বাধীন হওয়া প্রতিবেশী ভারতের তুলনায় পাকিস্তান অনেক পিছিয়ে আছে বলে দেশের অভ্যন্তরে ইমরান খানসহ অনেকে সমালোচনা করেছেন। এমন প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের স্বাধীনতার পর থেকে অর্থনীতির উন্নয়নের বর্ণনা দিয়েছে সরকার।

শনিবার প্রকাশিত দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথাগত কৃষির স্থানে গত কয়েকদশকে শিল্প এবং তারপর সেবা খাত অর্থনীতিতে প্রাধান্য বিস্তার করেছে। এতে বলা হয়েছে, প্রধান অর্থনৈতিক সূচকগুলো এই সময়ের মধ্যে ব্যাপক পরিবর্তন দেখেছে।  

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার সময় পাকিস্তান অবিভক্ত ভারতের ৯২১টির মধ্যে মাত্র ৩৪টি শিল্প ইউনিট উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছিল। ১৯৫০ সালের জিডিপি ৩ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ২০২২ সালে ৩৮৩ বিলিয়ন হয়েছে। জিডিপির বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ১৯৫০ সালের ১.৮ শতাংশের তুলনায় ২০২২ সালে ৫.৯৭ শতাংশে উঠেছে। মাথাপিছু আয় ১৯৫০-এর ৮৬ ডলার থেকে ২০২২-এ ১৭ শ৯৮ তে উন্নীত হয়েছে। সূত্র: দ্য ডন



সাতদিনের সেরা