kalerkantho

রবিবার । ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১০ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ২৮ সফর ১৪৪৪

মিয়ানমারে গণতন্ত্রপন্থী চার কর্মীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করল সেনাবাহিনী

অনলাইন ডেস্ক   

২৫ জুলাই, ২০২২ ১০:১৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মিয়ানমারে গণতন্ত্রপন্থী চার কর্মীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করল সেনাবাহিনী

মিয়ানমারে গণতন্ত্রপন্থী চারজন আন্দোলনকর্মীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে সেনাবাহিনী। বিবিসি জানিয়েছে, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সহায়তার অভিযোগে ওই চারজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলো। দেশটিতে গত কয়েক দশকের মধ্যে এই প্রথম মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা ঘটেছে।  

রয়টার্স জানিয়েছে, ২০২১ সালের শুরুর দিকে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলকারী সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সাহায্য করার অভিযোগে ওই চারজনকে গত জানুয়ারি মাসে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

বিজ্ঞাপন

তাদের বিচার কার্যক্রম ছিল রুদ্ধদ্বার এবং সেখানে কারো সংশ্লিষ্ট হওয়ার সুযোগ ছিল না।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে লেখক ও আন্দোলনকর্মী কো জিমি রয়েছেন। এ ছাড়া সাবেক আইন প্রণেতা ও হিপ-হপ শিল্পী ফিও জিয়া থাও, হ্লা মায়ো অং এবং অং থুরা জাওর রয়েছেন। সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালানোর জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছিল তাদের।

গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়ার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক নিন্দার ঝড় উঠেছিল। জাতিসংঘের দুই বিশেষজ্ঞ এই ঘটনাকে জনগণের মধ্যে ‘ভয় সৃষ্টির একটি জঘন্য প্রচেষ্টা’ বলে অভিহিত করেছিলেন।  

চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার পর ৫৩ বছর বয়সী কো জিমি এবং মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত নেতা অং সান সু চির ৪১ বছর বয়সী মিত্র ফিও জিয়া থাও রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলে গত জুন মাসে পরাজিত হন।

চারজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও দণ্ডবিধির অধীনে অভিযোগ আনা হয় এবং কারাগারের প্রক্রিয়ার অধীনেই তাদের শাস্তি কার্যকর করা হয়।

মিয়ানমারে এর আগেও ফাঁসির মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। পর্যবেক্ষক সংস্থা অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনার্স (এএপিপি) জানিয়েছে, আশির দশকের শেষের দিকে মিয়ানমারে শেষবার বিচারিক মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

ফিও জিয়া থাওয়ের স্ত্রী থাজিন ন্যুন্ট অং বলেছেন, তাকে তার স্বামীর মৃত্যুদণ্ডের বিষয়ে জানানো হয়নি। এ ছাড়া মন্তব্যের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে অন্য আত্মীয়দের সাথে যোগাযোগ করা যায়নি।

সূত্র : বিবিসি, রয়টার্স



সাতদিনের সেরা