kalerkantho

শনিবার । ২০ আগস্ট ২০২২ । ৫ ভাদ্র ১৪২৯ । ২১ মহররম ১৪৪৪

১০ লাখ ইউরো বোঝাই স্যুটকেস নিয়েছিলেন প্রিন্স চার্লস

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৬ জুন, ২০২২ ১৮:৫৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



১০ লাখ ইউরো বোঝাই স্যুটকেস নিয়েছিলেন প্রিন্স চার্লস

প্রিন্স অব ওয়েলস চার্লস।

কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে ১০ লাখ ইউরো ভর্তি স্যুটকেস গ্রহণ করেছিলেন প্রিন্স অব ওয়েলস চার্লস। সানডে টাইমসের এক প্রতিবেদনের সূত্রে জানা গেছে এ খবর। তবে চার্লসের নিজস্ব দপ্তর ক্ল্যারেন্স হাউসের তরফ থেকে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ওই অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে প্রিন্সের দাতব্য সংস্থায় পাঠানো হয়েছিল।

সানডে টাইমস পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্যুটকেসে করে দেওয়া নগদ অর্থ ছিল কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হামাদ বিন জসিমের পক্ষ থেকে তিনটি আর্থিক অনুদানের একটি।

বিজ্ঞাপন

তিনবারে মোট ৩০ লাখ ইউরো অনুদান দিয়েছিলেন তিনি।

চার্লসের নিজস্ব দপ্তর ক্ল্যারেন্স হাউসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কাতারি শেখের কাছ থেকে আসা অনুদানের ক্ষেত্রে সব সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছিল। ওই লেনদেন অবৈধ ছিল―এমন কোনো প্রমাণ মেলেনি।

সানডে টাইমসের তথ্যানুসারে, প্রিন্স চার্লস ২০১১ এবং ২০১৫ সালের মধ্যে সাবেক কাতারি প্রধানমন্ত্রীর কাছ সরাসরি তিনটি আর্থিক অনুদান গ্রহণ করেন।   ওই অর্থ 'প্রিন্স অব ওয়েলস'স চ্যারিটেবল ফান্ড'-এ জমা পড়েছে বলে জানা গেছে। ওই দাতব্য সংস্থাটি 'জীবনমানের পরিবর্তন ও টেকসই সমাজ গঠনে'র লক্ষ্যে কাজ করে থাকে। এর ট্রাস্টিরা অনুদানের দাতাকে বৈধ বলে রায় দেন এবং নিরীক্ষকরা তহবিলের পক্ষে স্বাক্ষর দেন বলে উল্লেখ করেছে দাতব্য সংস্থাটি।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে প্রিন্স চার্লসের দাতব্য সংস্থায় জমা পড়া অনুদান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মূলত এক সৌদি দাতাকে যুক্তরাজ্যের সম্মাননা ও নাগরিকত্বের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে―এমন অভিযোগের পর এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

এ বছরের শুরুতে মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছিল, প্রিন্সের সংস্থা সরকারি বিধি-বিধান ভেঙেছে কি না তা জানতে তদন্ত করা হচ্ছে। দাতব্য সংস্থাটির পক্ষ থেকেও তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

তদন্ত শুরু হওয়ার পর গত নভেম্বরে প্রিন্স চার্লসের সাবেক কর্মী ও দাতব্য সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী মাইকেল ফসেট পদত্যাগ করেন। জানা গেছে, শতকোটিপতি ব্যবসায়ী মাহফুজ মারেই মুবারক বিন মাহফুজকে সম্মানসূচক ব্রিটিশ পদবি দেওয়ার জন্য 'ফিক্সারদের' সঙ্গে হাত মিলিয়েছিলেন তিনি। তবে ট্রাস্টিরা এ ব্যাপারে জানতেন―এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। মাহফুজও বরাবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।

সূত্র : বিবিসি



সাতদিনের সেরা