kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৬ আগস্ট ২০২২ । ১ ভাদ্র ১৪২৯ । ১৭ মহররম ১৪৪৪

‘বিচক্ষণ হন, না হলে গুরুতর পরিণতি’: অস্ট্রেলিয়াকে চীন

অনলাইন ডেস্ক   

৬ জুন, ২০২২ ২০:১৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘বিচক্ষণ হন, না হলে গুরুতর পরিণতি’: অস্ট্রেলিয়াকে চীন

মুখপাত্র ঝাও লিজান। ছবি : এএফপি

চীন আজ সোমবার অস্ট্রেলিয়াকে ‘বিচক্ষণতার সঙ্গে কাজ’ করতে অন্যথায় ‘গুরুতর পরিণতির’ মুখোমুখি হওয়ার জন্য সতর্ক করেছে। অস্ট্রেলিয়ার সামরিক নজরদারি বিমানকে চীনা যুদ্ধবিমান ‘বিপদজনকভাবে’ আটকে দিয়েছে, ক্যানবেরার এমন অভিযোগের পর দেশটিকে সতর্ক করলো বেইজিং।  
 
অস্ট্রেলিয়ার দাবি, দক্ষিণ চীন সাগরের আকাশে এমন নজরদারি বিমান পরিচালনা অস্বাভাবিক কিছু নয়। এ অঞ্চলটিকে চীন নিজেদের জলসীমার অংশ বলে জোর দাবি করছে।

বিজ্ঞাপন

তবে ২০১৬ সালে হেগের আন্তর্জাতিক আদালত তাদের দাবি খারিজ করে দেয়।
 
দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে চীনের অবস্থান যুক্তরাষ্ট্র ও তার আঞ্চলিক মিত্রদের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলছে। তারা এই জলসীমায় নৌ চলাচলে স্বাধীনতার ওপর জোর দিচ্ছে।
 
গতকাল রবিবার অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লস বলেন, মে মাসে চীন একটি জে-১৬ যুদ্ধবিমান দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার পি-৮ নজরদারি বিমানের যাত্রাপথ আটকে দিয়েছিল। ওই ঘটনা বিমানটির ক্রু সদস্যদের নিরাপত্তা হুমকিতে ফেলেছিল বলে দাবি করেন তিনি।  
 
আজ এর জবাবে বেইজিং জানায়, ‘ নৌপথের স্বাধীনতার নামে কোনো দেশকেই চীনের সার্বভৌমত্ব এবং নিরাপত্তা লঙ্ঘন করতে  দেওয়া হবে না।  
 
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজান বলেন, ‘চীনের জাতীয় নিরাপত্তা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে অস্ট্রেলিয়াকে আরও বেশি সম্মান জানাতে হবে। কোনো ধরনের ভুলবোঝাবুঝি এড়াতে বিচক্ষণতার সঙ্গে কথা বলতে ও কাজ করতে হবে।   
 
অস্ট্রেলিয়ার জলসীমায় দেশটির একটি প্রতিরক্ষা বিমানে চীনের সামরিক বাহিনী কর্তৃক  ‘সামরিক মানের লেজার’ তাক করার অভিযোগ করার তিন মাস পর এবারের ঘটনাটি ঘটেছে। লেজার দেখানোর কাজকে অস্ট্রেলিয়ার সদ্য বিদায় নেওয়া সরকার ‘ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যম’ আখ্যায়িত করেছিল।  
 
চীনা মুখপাত্র ঝি লিজান বলেন, চীনের সামরিক বাহিনী সবসময় আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ‘নিরাপত্তা, সঠিক মান এবং  পেশাদারত্ব’ বজায় রেখে তাদের অভিযান পরিচালনা করে।  
 
গত সপ্তাহে কানাডাও আন্তর্জাতিক আকাশসীমায় মধ্য-আকাশে দুটি বিমানের মধ্যে প্রায় সংঘর্ষ হওয়ার পরিস্থিতির জন্য চীনের বিমানচালককে অভিযুক্ত করে। কানাডার সে বিমানটি উত্তর কোরিয়ার ওপর জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার কাজে অংশ নিয়েছিল।  
 
গতকাল চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, তাদের বিমানচালকরা কানাডার সামরিক বাহিনীর ‘উস্কানিমূলক আচরণ’ এর প্রতিক্রিয়া হিসেবে ‘যুক্তিসঙ্গতভাবে, বাধ্য হয়ে, নিরাপত্তা এবং পেশাদারত্বর সঙ্গে’ পদক্ষেপ নিয়েছে।
 
সূত্র: এএফপি


সাতদিনের সেরা