kalerkantho

রবিবার । ২৬ জুন ২০২২ । ১২ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৫ জিলকদ ১৪৪৩

দিলীপকে পশ্চিমবঙ্গের বাইরে দায়িত্ব দিল বিজেপি, নানা গুঞ্জন

অনলাইন ডেস্ক   

২৫ মে, ২০২২ ১৭:৪৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দিলীপকে পশ্চিমবঙ্গের বাইরে দায়িত্ব দিল বিজেপি, নানা গুঞ্জন

ছবি :দিলীপ ঘোষ, সূত্র : দ্যা হিন্দু

ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) পশ্চিমবঙ্গ শাখার সাবেক সভাপতি দিলীপ ঘোষকে অন্য আট রাজ্যের সাংগঠনিক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নতুন দায়িত্ব আরোপ দিলীপ ঘোষের রাজনৈতিক গুরুত্ব বাড়া নাকি পশ্চিমবঙ্গ থেকে তাকে কৌশলে সরিয়ে দেওয়া―এ নিয়ে গুঞ্জন চলছে।

দিলীপ ঘোষের পর পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সভাপতির দায়িত্ব পান লোকসভার সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। সে সময় দিলীপকে বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

এবার তাকে নতুন সাংগঠনিক দায়িত্ব দেওয়া হলো।

২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে সারা ভারতে নতুন কর্মসূচি নিয়েছে বিজেপি। সেই কর্মসূচির আওতায় দিলীপকে বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, আন্দামান ছাড়াও উত্তর-পূর্ব ভারতের চার রাজ্য মণিপুর, মেঘালয়, অসম, ত্রিপুরার সংগঠনের পরিধি বৃদ্ধির জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিজেপির দীর্ঘদিনের দুর্দিন কেটে দলের আসনসংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেলেও ক্ষমতায় বসার মতো পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি। এমন প্রেক্ষাপটে মেয়াদপূর্তির আগেই দিলীপকে রাজ্য সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ওই সময় তাকে সর্বভারতীয় সহসভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হলেও কোনো সুনির্দিষ্ট কাজ দেওয়া হয়নি।

কয়েক মাস ধরে দিলীপের সঙ্গে বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের দূরত্ব বাড়ছিল। রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি।

বিভিন্ন সূত্র মতে, বিধানসভার বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেও দিলীপের সম্পর্ক সুখকর নয়। দিলীপের সাম্প্রতিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও মন্তব্যে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও খুশি ছিলেন না।

বলা হচ্ছে, ওই সব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই দিলীপ ঘোষকে পশ্চিমবঙ্গের বাইরে নিয়ে যাওয়া হলো।

তবে দিলীপের ঘনিষ্ঠরা দাবি করছেন, বিজেপিতে সাধারণত কোনো সর্বভারতীয় নেতাকে নিজের রাজ্যে সাংগঠনিক দায়িত্ব দেওয়া হয় না। নিয়ম অনুযায়ী দিলীপকে সেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং সেটা তার যোগ্যতাবলেই। তার আমলে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে ইতিহাসের সবচেয়ে সেরা সাফল্য পেয়েছে। তিনি নিজে প্রথমে বিধায়ক ও পরে সাংসদ হন।

সার্বিক বিষয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘আমি সংগঠনের লোক। আমার কাছে সবার আগে দল, তার পরে ব্যক্তি। নেতৃত্ব যে দায়িত্ব দিয়েছেন তা পালন করাই আমার কাজ। চিরকাল তাই করেছি। এখনো করে যাব। ’

তাকে বাংলা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে―এ কথা মানতেও নারাজ দিলীপ। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি তো বাংলার সাংসদ। মেদিনীপুর লোকসভা এলাকায় বুথ সশক্তিকরণ কর্মসূচি তো আমাকেই করতে হবে। ’

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা



সাতদিনের সেরা