kalerkantho

সোমবার । ৪ জুলাই ২০২২ । ২০ আষাঢ় ১৪২৯ । ৪ জিলহজ ১৪৪৩

শ্রীলঙ্কা: সিরিসেনার দলের সমর্থন পেলেন বিক্রমাসিংহে

অনলাইন ডেস্ক   

১৫ মে, ২০২২ ২৩:১৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শ্রীলঙ্কা: সিরিসেনার দলের সমর্থন পেলেন বিক্রমাসিংহে

রনিল বিক্রমাসিংহে। ছবি: এএফপি

শ্রীলঙ্কার সদ্যোনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহের সরকারকে সমর্থনের কথা জানিয়েছে দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট মাইত্রিপালা সিরিসেনার দল। রাজনৈতিক শক্তিতে বর্তমানে দুর্বল শ্রীলঙ্কান ফ্রিডম পার্টির (এসএলএফপি) শীর্ষনেতা সিরিসেনা গতকাল রবিবার চিঠি দিয়ে বিক্রমাসিংহেকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। তবে এটি বিক্রমাসিংহের ঐক্যের সরকার গড়ার প্রক্রিয়ায় অন্তত নৈতিক সহায়তা করবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিক্রমাসিংহে প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হওয়ার পর থেকেই বিরোধীরা তাঁকে রাজাপক্ষে পরিবারের অনুগত আখ্যায়িত করে সহযোগিতায় অনাগ্রহ দেখাচ্ছিল।

বিজ্ঞাপন

 

বর্তমানে ২২৫ আসনবিশিষ্ট আইনসভায় সাবেক প্রেসিডেন্ট মাইত্রিপালা সিরিসেনার দল-এসএলএফপির মাত্র একটি আসন রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বিক্রমাসিংহেও তাঁর দল ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টির (ইউএনপি) একমাত্র আইন প্রণেতা।  

বিক্রমাসিংহের সরকার এখন পর্যন্ত এসএলএফপি এবং রাজাপক্ষে পরিবারের দল শ্রীলঙ্কান পোদুজানা পেরামুনার (এসএলপিপি) সমর্থন পেল। রাজনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, আরো ১১ জন আইন প্রণেতা এবং বাকি বিরোধী দলের সমর্থন আদায়ে আলোচনা চলছে। প্রধানমন্ত্রী বিক্রমাসিংহে এই মুহূর্তে সব দলকে নিয়েই সরকার গঠনের চেষ্টায় রয়েছেন।  

আইনসভার প্রধান বিরোধী দল সামাগি জানা বালাওয়েগায়ার (এসজেবি) একটি অংশ এবং অন্য ছোট দলগুলো বিক্রমাসিংহেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মেনে নিচ্ছে না। আন্দোলনকারীরা রাজাপক্ষে পরিবারকে দেশের রাজনীতির মাঠে দেখতে চাইছেন না। মাহিন্দার পর গোতাবায়ার পদত্যাগ দাবিতেও তাঁরা অনড় রয়েছেন। বিক্ষোভকারীরা গোতাবায়ার নিয়ন্ত্রণাধীন কোনো প্রশাসন চান না। বিক্রমাসিংহে রাজাপক্ষে পরিবারের অনুগত হিসেবে পরিচিত বলে তাঁকে আন্দোলনকারীরা মেনে নিতে নারাজ।

আগামীকাল মঙ্গলবার শ্রীলঙ্কার আইনসভার অধিবেশন। এতে বিক্রমাসিংহের সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতার সংকটে পড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। কারণ রাজাপক্ষে পরিবারের দল এসএলপিপি তাঁকে সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপক্ষের ভাই প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষে সংকট উত্তরণে বিক্রমাসিংহেকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন। বিক্রমাসিংহে শপথ নেওয়ার পর এরই মধ্যে চারজনকে মন্ত্রী নিয়োগ করা হয়েছে। তাঁরা সবাই এসএলপিপির নেতা। সূত্র জানিয়েছে, আরো দুজন মন্ত্রীর নাম চূড়ান্ত হয়েছে। কিন্তু এই মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে কাউকে দেখা যায়নি।

কারফিউ প্রত্যাহার
গতকাল বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বৌদ্ধপ্রধান দেশটিতে কারফিউ তুলে নেওয়া হয়েছিল। তবে কখন আবার কারফিউ কার্যকর হবে সে সম্পর্কে কোনো কথা বলা হয়নি। অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকটের কারণে সরকারি ও বেসরকারি উভয় পর্যায়ে দিবসটি পালিত হয় সীমিতভাবে। সূত্র : ডেইলি মিরর



সাতদিনের সেরা