kalerkantho

মঙ্গলবার ।  ২৪ মে ২০২২ । ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২২ শাওয়াল ১৪৪৩  

মূক ও বধির তরুণীকে ধর্ষণ, ইশারা বিশেষজ্ঞের সহায়তায় অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক   

২৯ জানুয়ারি, ২০২২ ১৩:৪২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মূক ও বধির তরুণীকে ধর্ষণ, ইশারা বিশেষজ্ঞের সহায়তায় অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

ইশারা বিশেষজ্ঞ রজনী

ভারতের কলকাতায় মঙ্গলবার রাতে গাড়ির মধ্যে ধর্ষণের শিকার হন মূক ও বধির তরুণী। ঘটনাটি শহরটির নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুললেও অভিযোগের পর পুলিশ বিলম্ব করেনি। অভিযুক্তকে তড়িঘড়ি আটক করেছে কলকাতা পুলিশ।

অভিযুক্তকে দ্রুত আটক করা সম্ভব হয়েছে ইশারা বিশেষজ্ঞ থাকার বদৌলতে।

বিজ্ঞাপন

কারণ, ভুক্তভোগী তরুণী মূক ও বধির।  

ঘটনার পর নির্যাতিতা থানায় গেলেও প্রথমে তাঁর বক্তব্য বুঝতেই পারেনি পুলিশ। অভিযোগ বুঝতেই না পারলে তদন্ত করা হবে কী করে! এসব ক্ষেত্রে ডাক পড়ে রজনী ব্যানার্জির মতো ‘ইশারা ভাষা’ বিশেষজ্ঞদের।

প্রগতি ময়দান থানায় এ ব্যাপারে তরুণীর বক্তব্য বুঝতে ডাকা হয় রজনীকে। প্রায় ১৬ ঘণ্টা ধরে নির্যাতিতার সঙ্গে থেকে এবং কথা বলে ঘটনার খুঁটিনাটি বুঝে, নির্যাতিতার বক্তব্য পুলিশকে জানান রজনী।  

এখন পর্যন্ত ১০৩টি মামলায় দোভাষীর কাজ করেছেন স্পেশাল এডুকেটর এবং ইশারা ভাষা দোভাষী রজনী।  

ঘটনা কিংবা তদন্তের বিষয়ে কোনো কথা বলেননি তিনি। তবে তিনি বলেছেন, এবারের মতো এত দ্রুত তদন্ত আগে দেখেননি।

রজনী বলেন, ওই তরুণীর সঙ্গে কথা বলতে সকালেই থানায় পৌঁছে যাই। একদফা কথা বলে তার অভিযোগের কথা পুলিশকে জানিয়ে আমার কর্মক্ষেত্রের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলাম। কিন্তু ঘটনার গুরুত্ব বুঝেই মনে হয় পুলিশ আমাকে আবার ডেকে নিয়ে আসে। পুলিশ কর্মকর্তারা এসে তরুণীর অভিযোগের খুঁটিনাটি বুঝে নেন।  

তিনি আরও বলেন, এর আগে আমি বেশ কিছু ধর্ষণের ঘটনায় দোভাষীর কাজ করেছি। তবে এই মামলার মতো এত দ্রুত পুলিশকে ব্যবস্থা নিতে দেখিনি।

অভিযোগ উঠেছে, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা নাগাদ সায়েন্স সিটির কাছে আম্বেদকর সেতুর কাছে জোর করে ওই তরুণীকে ট্যাক্সিতে তুলে নেওয়া হয়। সামনের আসনেই গায়ের জোরে বসিয়ে রাখা হয় তরুণীকে। গাড়িতেই ধর্ষণ করা হয় বলে পুলিশে অভিযোগ জানিয়েছেন তরুণী। ওই  রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ ৪ নম্বর সেতুর কাছে নামিয়ে দেওয়া হয় তরুণীকে।  

সকালে ট্রেনে করে মগরাহাটে বাড়ি ফেরেন নির্যাতিতা তরুণী। মা অসুস্থ থাকায় বাড়ির কাউকে প্রথমে ঘটনার কথা বলতেও দ্বিধা করেন। পরে থানায় অভিযোগ জানান এবং শুক্রবার অভিযুক্ত কামরে আলম ওরফে রাজা নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ।
সূত্র: আনন্দবাজার।



সাতদিনের সেরা