kalerkantho

শনিবার । ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৪ ডিসেম্বর ২০২১। ২৮ রবিউস সানি ১৪৪৩

কানাডায় প্রায় ২ হাজার মৃত আদিবাসী শিশুর তালিকা তৈরি!

অনলাইন ডেস্ক   

১৭ নভেম্বর, ২০২১ ১৬:৩৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কানাডায় প্রায় ২ হাজার মৃত আদিবাসী শিশুর তালিকা তৈরি!

কানাডার অন্টারিওতে ১ হাজার ৮০০ মৃত আদিবাসী শিশুর তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এজন্য ওই প্রদেশের জন্য এক কোটি ডলার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। দেশটির রেকর্ড ন্যাশনাল সেন্টার অফর ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশনের (এনসিটিআর) কাছে ১ হাজার ৮০০ আদিবাসী শিশুর মৃত্যুর তালিকা দিতে যাচ্ছে অন্টারিও। 

২০১৫ সালে কমিশন যেসব সুপারিশ করেছিল তারমধ্যে আবাসিক স্কুল ব্যবস্থার শিকার হয়ে যেসব আদিবাসী শিশু মারা গেছে তাদের রেকর্ডের বিষয়টিও ছিল। টরন্টোর দ্য বেঙ্গলি টাইমস থেকে জানা যায়, অন্টারিও সরকারের রেকর্ড প্রকাশের এ প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানিয়েছে এনসিটিআর। অন্য প্রদেশের প্রতি একই পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে তারা। 

এক লিখিত বিবৃতিতে তারা বলেছে, আবাসিক স্কুল ব্যবস্থার কারণে মৃত্যুবরণকারী সব শিশুকে খুঁজে বের করতে ও তাদের শনাক্ত করতে মৃত্যুর নথি খুবই প্রয়োজন। যদিও কিছু প্রদেশ গুরুত্বপূর্ণ নথি বিনিময় নিয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়া ও আলবাট্রায় মিশনারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আদিবাসী শিশুদের মৃতদেহ সন্ধানের পর এখন অন্যান্য প্রদেশেও অনুসন্ধানের কাজ চলছে। ইতোমধ্যে ব্রিটিশ কলাম্বিয়া ও আলবার্টার কাছ থেকে সব মৃত্যু সনদ তারা পেয়েছে। ইউকন ও নোভা স্কশিয়া থেকে কিছু নথিপত্রও পাওয়া গেছে।

৭০ বছর ধরে প্রদেশের সব মৃত্যু নিবন্ধন করছে সার্ভিস অন্টারিও। তারা বলছে, স্কুলগামী আদিবাসী শিশুদের মৃত্যু সনদের সন্ধান ২০১৬ সালের শেষ দিক থেকে শুরু হয়েছে। নথিপত্রের তালিকা অনুযায়ী ১ হাজার ৮০০ এর মতো রেকর্ড প্রকাশের একটা লক্ষ্য সে সময় নির্ধারণ করা হয়। ন্যাশনাল স্টুডেন্ট মেমোরিয়াল ৪ হাজার ১২৭ আদিবাসী শিশুর নাম উল্লেখ করেছে, যারা আবাসিক স্কুল থেকে আর ফেরেনি। হারিয়ে যাওয়া অন্য শিশুদের বিষয় নথিবদ্ধ করতে মৃত্যুর রেকর্ড ও তদন্ত প্রতিবেদন অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছে সেন্টার।

এদিকে ন্যাশনাল ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন এখন পর্যন্ত অন্টারিওর ১২টি স্থান চিহ্নিত করেছে, যেখানে আদিবাসী শিশুদের কবর থাকতে পারে। যদিও সংখ্যাটি বেশি হবে বলে মনে করছে প্রদেশ। স্কুলে ভর্তি হওয়া ৪২৬ জন শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি সবার জানা থাকলেও নিখোঁজ শিশুদের সংখ্যাটি এখনও অজানা।

সূত্র: সিবিসি।



সাতদিনের সেরা