kalerkantho

বুধবার । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ১ ডিসেম্বর ২০২১। ২৫ রবিউস সানি ১৪৪৩

সব মহাদেশেই আঘাত হানতে পারে চীনের নতুন বোমারু বিমান এইচ-২০

অনলাইন ডেস্ক   

৬ নভেম্বর, ২০২১ ১১:৫৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সব মহাদেশেই আঘাত হানতে পারে চীনের নতুন বোমারু বিমান এইচ-২০

চীনের নতুন স্টিলথ বোমারু বিমান জিয়ান এইচ-২০ প্রচলিত এবং পারমাণবিক অস্ত্র বহন করাসহ আট হাজার পাঁচশ কিলোমিটার উড়তে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেছে চীনের প্রতিরক্ষা বিভাগ। আর এই এইচ-২০ বোমারু বিমানটিকে মার্কিন বিমান বাহিনীর বি-২১ রাইডার বোমারু বিমানকে পাল্লা দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এই মুহুর্তে, দুটি বোমারু বিমান তুলনাযোগ্য কিনা সে বিষয়টি স্পষ্ট না।

নতুন বোমারু বিমান সম্পর্কে চীনের প্রতিরক্ষা বিভাগ বলছে, এইচ-২০ স্টিলথ ফাইটার জেটের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ধরনের পঞ্চম-প্রজন্মের প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যেমে নতুন এই বোমারু বিমানে পঞ্চম প্রজন্মের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন বৈশষ্ট্য যুক্ত হচ্ছে। যদিও ফাইটার জেট এবং বোমারু বিমানগুলো বিভিন্ন মিশন পরিচালনা করে এবং দুইটারই লক্ষ্য থাকে সেন্সর, তথ্য প্রক্রিয়াকরণ, উন্নত সফ্টওয়্যার এবং অস্ত্র ইন্টারফেস করা।

এইচ-২০ এর বাইরের অংশ দেখে বোঝা যায় যে, এটি কতটা শক্তি সম্পন্ন। এইচ-২০ তে একটি এমবেডেড ইঞ্জিন, উইং বডি, উল্লম্ব কাঠামোর অনুপস্থিতি এবং ইঞ্জিনের বায়ু নালীগুলো ফুসেলেজের নিচে ফ্রেমে আটকানো। অন্যদিকে বি-২ বোমারু বিমানের ফুসেলেজের উপরে থেকে বেরিয়ে আসা বায়ু নালী রয়েছে। তবুও, এইচ-২০, বি-২১ রাইডার বা বি-২ স্পিরিট-এর মধ্যে অনেক ডিজাইনের মিল রয়েছে।

জিয়ান এইচ-২০ স্টিলথ বোমারু বিমানটির শুত্রু পক্ষের ঘাঁটিতে আঘাত হানার পরিধি দ্বিগুণ । সেই সাথে এই বিমানটি একসঙ্গে চারটি ব্যালিস্টিক মিসাইল বহন করতে পারে। বোমারু বিমানটির রয়েছে রিফুয়েল করার ক্ষমতা।

চীনের প্রতিরক্ষা বিভাগ দাবি করছে, বেইজিং এই প্রথমবারের মতো রিফুয়েলিং বোমারু বিমান তৈরি করেছে। এর ফলে দীর্ঘ মিশনে অংশ নিতে পারবে এইচ-২০ বিমানটি।

এই বিমান তৈরির লক্ষ্য ছিলো আশেপাশের তাপমাত্রাকে যতটা সম্ভব নিবিড়ভাবে অনুমান করতে পারে যাতে বিমানটি ওড়ার সময় বিমানের এবং আশেপাশের পরিবেশের মধ্যে যেকোন যেকোন পার্থক্য দূর করতে পারে।



সাতদিনের সেরা