kalerkantho

রবিবার । ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৫ ডিসেম্বর ২০২১। ২৯ রবিউস সানি ১৪৪৩

৪৪ পাউন্ড ওজন ঝরিয়েছেন কিম, 'বডি ডাবল' ব্যবহারের গুজব ভিত্তিহীন

অনলাইন ডেস্ক   

২৮ অক্টোবর, ২০২১ ২২:০১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



৪৪ পাউন্ড ওজন ঝরিয়েছেন কিম, 'বডি ডাবল' ব্যবহারের গুজব ভিত্তিহীন

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন প্রায় ২০ কেজি (৪৪ পাউন্ড) ওজন কমিয়েছেন। দক্ষিণ কোরিয়ার গুপ্তচর সংস্থা বিষয়টি নিশ্চিত করেছে এবং তাঁর 'বডি ডাবল' ব্যবহারের গুজবটি ভিত্তিহীন দাবি করেছে।

কিম ২০১৯ সালে তাঁর ওজন মেপেছিলেন। তখন সেটি ছিল প্রায় ১৪০ কেজি। তারপর থেকে ওজন কমে গেছে, সংস্থাটি বৃহস্পতিবার আইনপ্রণেতাদের এ তথ্য জানায়। এর অনুমানগুলো সর্বোত্তম মুখের বিশ্লেষণ, ওজন-ট্র্যাকিং মডেল এবং হাই-রেজ্যুলেশন ভিডিওর বিশ্লেষণের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছিল। ক্ষমতাসীন দলের প্রতিনিধি কিম বাইউং-কি সাংবাদিকদের এ তথ্য দেন।

গোয়েন্দা সংস্থাটি বলেছে, উত্তর কোরিয়ার নেতা একটি 'বডি ডাবল' ব্যবহার করছেন- এমন গুজব ভিত্তিহীন। তাদের বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এটি ভুল। কিম ভালো আছেন বলে মনে হচ্ছে, বলেন এক আইনপ্রণেতা।

৩৭ বছর বয়সী এই নেতা অতিরিক্ত ওজনের অধিকারী এবং ধূমপায়ী। বছরের পর বছর ধরে তাঁর স্বাস্থ্য জল্পনা-কল্পনার বিষয় হয়ে উঠেছে। কিম গত কয়েক মাসে তার জনগণের সামনে বেশ কবার এসেছেন। যার মধ্যে সেপ্টেম্বরে একটি সামরিক কুচকাওয়াজ এবং অক্টোবরে রাষ্ট্রের সর্বশেষ পারমাণবিক-সক্ষম অস্ত্রের একটি প্রদর্শনী রয়েছে।

সম্প্রতি উত্তর কোরিয়া এক খাদ্যাভাব দেখা দেওয়ায় কিম সমর্থনের উদ্দেশ্যে র‌্যালির আয়োজন করতে যাচ্ছেন। কিম খাদ্য ঘাটতির সমস্যা উল্লেখ করে বলেন, তিনি মনে করছেন তিনি পাতলা বরফের ওপর হাঁটছেন। আইনপ্রণেতা বলেন, 'কিম কর্তৃপক্ষকে যতটা সম্ভব খাবারের নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।'

ফিচ সলিউশন অনুসারে, কভিডের কারণে সীমানা বন্ধ করার কিমের সিদ্ধান্ত বিষয়টিকে আরো খারাপ করেছে। উত্তর কোরিয়া দুই দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক সংকোচনের মধ্যে পড়েছে।

এ বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উত্তর কোরিয়ার প্রধান অংশীদার চীনের সাথে বাণিজ্য প্রায় ১৮৫ মিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। যা এক বছর আগের তুলনায় এক তৃতীয়াংশ। বিরোধী দল পিপল পাওয়ার পার্টির আইনপ্রণেতা হা টে-কেউং সাংবাদিকদের বলেন, কিম জং উন উত্তর কোরিয়ার অর্থনীতিকে 'অব্যবস্থাপনা' করেছেন, মুদ্রাস্ফীতির হার বেড়ে যাওয়া এবং কালি এবং কাগজের ঘাটতির কারণে দেশটি টাকার নোট ছাপতে অক্ষম।
সূত্র : এনডিটিভি



সাতদিনের সেরা