kalerkantho

রবিবার । ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৫ ডিসেম্বর ২০২১। ২৯ রবিউস সানি ১৪৪৩

বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন

শিশুদের হোমওয়ার্কের চাপ কমাতে চীনে নতুন আইন

অনলাইন ডেস্ক   

২৫ অক্টোবর, ২০২১ ১৮:১০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শিশুদের হোমওয়ার্কের চাপ কমাতে চীনে নতুন আইন

শিশুদের ওপর থেকে স্কুলের হোমওয়ার্কের চাপ কমাতে চীনে নতুন একটি শিক্ষা আইন পাস করা হয়েছে। শিশুরা যাতে বিশ্রাম ও শরীরচর্চার জন্য পর্যাপ্ত সময় পায় এবং খুব বেশিক্ষণ তারা যাতে ইন্টারনেটে সময় ব্যয় না করে, অভিভাবকদের সেটি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। গত আগস্ট মাসে দেশটিতে ছয় ও সাত বছর বয়সীদের জন্য লিখিত পরীক্ষা নিষিদ্ধ করা হয়।

দেশটির কর্মকর্তারা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, শিশুদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শিশুদের ইন্টারনেটে আসক্তি কমাতেও গত বছর দেশটিতে বেশ কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বাড়িতে স্কুলের কাজ বিষয়ক আইনটির বিস্তারিত এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তবে স্থানীয় গণমাধ্যমে বলা হচ্ছে, আইনটিতে শিশুদের মানবিক বোধ, বুদ্ধিমত্তার বিকাশ এবং সামাজিক অভ্যাস প্রতিপালনের ব্যাপারে অভিভাবকদের উৎসাহ দেওয়া হয়েছে।

দেশটির স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষ আইনটি বাস্তবায়নে দায়িত্ব পালন করবে। যার জন্য দরকারি অর্থায়নের দায়িত্বও থাকবে স্থানীয় সরকারগুলোর। চীনের জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম উইবোতে আইনটি বিষয়ে অভিভাবকদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন।

অন্যদিকে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ অথবা অভিভাবকরা নিজেরাও সঠিকভাবে আইনটি বাস্তবায়ন করতে পারবেন কি না সে নিয়ে অনেকে সংশয় প্রকাশ করেছেন। একজন প্রশ্ন তুলেছেন, 'আমি সপ্তাহে ছয় দিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত কাজ করি। যখন আমি রাতে বাসায় ফিরি তখন আমাকে পরিবারের লেখাপড়ার দায়িত্বও নিতে হবে?' 'কর্মীদের শোষণ করে আবার তাদের সন্তান নিতে বলা উচিত নয়।'

চীনে শিশু জন্মের হার রেকর্ড সংখ্যায় কমে গেছে। দেশটির অনলাইন টিউশন ব্যবস্থায় কিছু পরিবর্তন আনা হয় জুলাই মাসে। এর ফলে শিক্ষার প্রধান বিষয়গুলো তারা আর পড়াতে পারবে না। নতুন আইনটিতে শিক্ষা খাতে বিদেশি বিনিয়োগের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। গৃহশিক্ষকদের ওপরও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।

শুরুতে বিষয়টিকে শিশুদের অভিভাবকদের ওপর থেকে আর্থিক চাপ কমানোর উদ্যোগ হিসেবে দেখা হয়েছিল। শিক্ষায় বৈষম্য চীনে একটি বড় সমস্যা বলে মনে করা হয়। বিত্তবান অভিভাবকরা শীর্ষ সারির স্কুলগুলোতে সন্তানদের শিক্ষায় বিপুল পরিমাণে অর্থ খরচ করে থাকেন।

সূত্র : বিবিসি।



সাতদিনের সেরা