kalerkantho

রবিবার । ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৫ ডিসেম্বর ২০২১। ২৯ রবিউস সানি ১৪৪৩

স্টকহোম বাংলাদেশ দূতাবাসে শেখ রাসেল দিবস উদযাপন

সাব্বির খান, স্ক্যান্ডিনেভিয়া প্রতিনিধি   

১৯ অক্টোবর, ২০২১ ০১:৫৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



স্টকহোম বাংলাদেশ দূতাবাসে শেখ রাসেল দিবস উদযাপন

সোমবার (১৮ অক্টোবর) যথাযোগ্য মর্যাদায় ’শেখ রাসেল দীপ্ত জয়োল্লাস, অদম্য আত্মবিশ্বাস’ প্রতিপাদ্যের আলোকে স্টকহোমস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ’শেখ রাসেল দিবস ২০২১’ উদযাপিত হয়েছে। এদিন দূতাবাসের বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে ছিল শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন ও ছড়া/কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতার আয়োজন এবং বিজয়ীদের মধ্যে সনদ ও পুরস্কার বিতরণ।

এছাড়াও শেখ রাসেলের বোপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন ও তাঁর জীবনের ওপর আলোকপাত করে আলোচনা অনুষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ অনুষ্ঠানে দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারিবৃন্দ ছাড়াও প্রবাসী সুধীবৃন্দ ও শিশু-কিশোররা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানের প্রথমভাগে শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। অনূর্ধ্ব ১২ বছর বয়সী শিশু এবং ১২-১৮ বছর বয়সী শিশু-কিশোররা দু’টি বিভাগে এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। পবিত্র ধর্মগ্রন্থসমূহ পাঠের পর শুরু হয় অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্ব। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। এরপর শেখ রাসেলের ওপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

শেখ রাসেলের জীবনীর ওপর মুক্ত আলোচনায় উপস্থিত কমিউনিটির বিভিন্ন সদস্যবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। বক্তব্যে তাঁরা বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে শিশু রাসেলের শাহাদত জাতির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। সেদিনের শিশু শেখ রাসেল উন্নত চারিত্রিক গুণাবলীর মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর নৈতিক আদর্শ ও চেতনার মধ্য দিয়েই বেড়ে উঠছিল। তাঁকে হত্যার মধ্য দিয়ে ঘৃণ্য ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুর রক্তের উত্তরাধিকারকে নিশ্চিহ্ন করার অপপ্রয়াস চালিয়েছিল সেদিন। কিন্তু শেখ রাসেল আজীবন দেশের শিশু-কিশোর তরুণ প্রজন্মের কাছে আদর্শ হিসেবেই বেঁচে থাকবে বলে তাঁরা বলেন।

রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শিশু রাসেলসহ ১৫ আগস্টে শাহাদত বরণকারী সকলের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ও তাঁদের রূহের মাগফেরাত কামনা করেন। তিনি বলেন, শৈশব থেকে দূরন্ত প্রাণবন্ত ছোট শিশু শেখ রাসেল ছিল পরিবারের সকলের আদরের।

রাষ্ট্রদূত শেখ রাসেলের জন্মদিনে শিশু দিবস উদযাপনের তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ’জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পরিবারসহ অন্যান্যের বিভিন্ন বর্ণনায় শিশু শেখ রাসেলের যে আদর্শিক চরিত্রের রূপ পাওয়া যায়, তা শিশু-কিশোর সকলের জন্য অনুকরণীয়। তিনি এ আদর্শকে ধারণ করে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশ মাতৃকার জন্য কাজ করার আহবান জানান।

মুক্ত আলোচনা শেষে শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে ছড়া ও কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। অনূর্ধ্ব ১২ বছর বয়সী শিশু এবং ১২-১৮ বছর বয়সী শিশু-কিশোর দুটি বিভাগে এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। এরপর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এতে প্রবাসী বাংলাদেশি ও শিশু-কিশোররা অংশগ্রহণ করেন। রাষ্ট্রদূত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, ছড়া/কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী প্রতিযোগীদের মধ্যে ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী সকলকে সনদ ও পুরস্কার প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে সঞ্চালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন দূতাবাসের প্রথম সচিব ও দূতালয় প্রধান মো. মোরশেদুর রহমান তালুকদার।



সাতদিনের সেরা