kalerkantho

বুধবার । ৪ কার্তিক ১৪২৮। ২০ অক্টোবর ২০২১। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

দিল্লি থেকে আটক বাঙালি জঙ্গি, প্রশিক্ষণ দিয়েছে সেই কেশবের ‘গুরু’

অনলাইন ডেস্ক   

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১৪:২৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দিল্লি থেকে আটক বাঙালি জঙ্গি, প্রশিক্ষণ দিয়েছে সেই কেশবের ‘গুরু’

কেশব পারেনি। জিশান ও উসমানও পারল না। তার পরেও ২৬/১১-এর ধাঁচে ভারতের ওপর আবারো একবার হামলার ছক সাজিয়েছিল পাকিস্তান। এজন্য ভারতে এসেছিল আটক জঙ্গিরা। 

দিল্লি পুলিশ বলছে, ডি কম্পানির অন্যতম মালিক আনিস ইব্রাহিমের টাকায় জিশান ও উসমানরা প্রশিক্ষণ নিয়েছিল সিন্ধুর এক খামারবাড়িতে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের দাবি, এই দুই যুবককে প্রশিক্ষণ দিয়েছিল পাকিস্তানি রেঞ্জারের দুই সাবেক ব্রিগেডিয়ার হাজমা এবং জব্বার। পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর এই দুই সাবেক কর্মকর্তা এখন আইএসআই-এর হয়ে কাজ করে বলেই দাবি দিল্লি পুলিশের।

মঙ্গলবার তিন রাজ্যে অভিযান চালিয়ে মোট ছয় জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতে তোলার আগে পর্যন্ত তাদের দফায় দফায় জেরা করা হয়। সেই জেরা থেকে পুলিশ দাবি করেছে, দুই মাস আগে মুম্বাই শহরের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে গেছে মুলচাঁদ ও তার একসঙ্গী। বাণিজ্য নগরীর প্রতিটি অলি-গলি -সহ বেশ কয়েকটি পাঁচতারা রেস্তোরাঁর খবরাখবর তারা সংগ্রহ করে। 

তাদের এই গতিবিধি আঁচ করে গোয়েন্দাদের দাবি, উৎসবের মওসুমে জঙ্গিদের টার্গেট ছিল মুম্বাই। আর সেই কারণে ২৬/১১ ধাঁচে হামলা হতে পারে বলেই শঙ্কা ছিল গোয়েন্দাদের।

দিল্লি পুলিশের দাবি, জেরায় আটক জঙ্গিরা স্বীকার করেছে সিন্ধুর ওই খামারবাড়িতে তাদের সঙ্গে প্রশিক্ষণ নিয়েছে কমপক্ষে ১৫ থেকে ১৬ বাংলাভাষী।

তবে কিভাবে এই জঙ্গিদের পেছনে টাকা ঢেলেছিল ডি কম্পানি। তদন্তকারীদের দাবি, হাওলার সাহায্যে জঙ্গিদের পিছনে লগ্নি করেছিল আনিস। এই কাজে তাকে সাহায্য করেছিল মুম্বাইয়ের অন্ধকার জগতের বেশ কয়েকজন।

মূলত আনিসের উদ্যোগে এই জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ দিয়েছিল হাজমা এবং জব্বার। পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সাবেক এই দুই কর্মকর্তা লস্কর নেতা হাফিজ সাইদের ঘনিষ্ঠ বলেও জানা গেছে।

২৬/১১-র সময় হাফিজের নির্দেশেই কেশবদের প্রশিক্ষণ দিয়েছিল হাজমা এবং জব্বার। গোয়েন্দাদের দাবি, এই ছয় জঙ্গির গ্রেপ্তারে আগামী দিনে আরও তথ্য উঠে আসবে।
সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন।



সাতদিনের সেরা