kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৩ আশ্বিন ১৪২৮। ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১। ২০ সফর ১৪৪৩

আফগানিস্তানে এক মাসের মধ্যে খাদ্যসংকটের আশঙ্কা : জাতিসংঘ

অনলাইন ডেস্ক   

২ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১৫:৫১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আফগানিস্তানে এক মাসের মধ্যে খাদ্যসংকটের আশঙ্কা : জাতিসংঘ

খাদ্যসংকটে পড়তে যাচ্ছে আফগানিস্তান। আগামী এক মাসের মধ্যে দেশটি খাদ্যসংকটে পড়তে পারে বলে সতর্কতা জারি করেছে জাতিসংঘ। ব্যবস্থা না নিলে সেখনে প্রতি তিনজনের মধ্যে একজন অভুক্ত থাকবেন। আফগানিস্তানে নিযুক্ত জাতিসংঘের মানবিক ত্রাণবিষয়ক সমন্বয়কারী রমিজ অলকবারভ স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার বলেন, আফগানিস্তানে মানবিক পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

আফগানিস্তানে ক্ষমতা দখল করার পরে তালেবান এখনো সরকার গঠন করেনি। তাই তাদের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টিও ঝুলে আছে। আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি না পেলে বিদেশ থেকে খাদ্যসাহায্য আসবে না। দেশের ভিতরের অবস্থা প্রতিদিন খারাপ হচ্ছে। খাদ্যসামগ্রীর দাম ৫০ শতাংশ ও পেট্রোলের দাম ৭৫ শতাংশ বেড়ে গেছে।

এই অবস্থায় জাতিসংঘ জানালো, আফগানিস্তানে খাদ্যসংকট আসন্ন। আফগানিস্তানে জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ের সমন্বয়কারীর দায়িত্বে থাকা রামিজ অ্যালাকবারোভ জানিয়েছেন, মানবিক দিক থেকে পরিস্থিতি একেবারেই ভালো নয়। এখনই দেশের প্রায় অর্ধেক শিশুর খাবার পেতে অসুবিধা হচ্ছে। তিনি বলেছেন, সরকারি পরিষেবাগুলি কাজ করছে না। সরকারি কর্মীরা তাদের বেতনও পাচ্ছেন না।

তালেবান এখনো সরকার গঠন করেনি বলে পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে। তারা সরকার গঠন করলে এবং সেই সরকার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলে খাদ্যসাহায্য আসবে। কাবুলে থেকে কাজ করা অ্যামেরিকার রাজস্ব দপ্তরের সাবেক কর্মকর্তা অ্যালেক্স জার্ডেন আল জাজিরাকে বলেছেন, ‘পরিস্থিতি একেবারেই ভালো নয়। এই সংকটের আগেও অনেক আফগান দারিদ্র্য রেখার নীচে ছিলেন। এখন পরিস্থিতি আরো অনেকটা খারাপ হয়েছে। তালেবান শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা দখল করেনি। তারা যুদ্ধ করে ক্ষমতা নিয়েছে। তার ফলে পরিস্থিতি মারাত্মক হয়েছে।’

সংবাদসংস্থা রয়টার্স জানায়, দেশটিতে জিনিসের দাম আকাশছোঁয়া। মানুষ রোজ ব্যাঙ্কের দরজায় ভিড় করছে। হাজি মোহাম্মদ ইদ্রিসকে তালেবান সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কের প্রধান করেছে। কিন্তু তিনি কীভাবে পরিস্থিতি সামলাবেন, কী করে ব্যাঙ্কগুলিকে অর্থের জোগান দেবেন, তা জানাননি। তালেবানের নির্দেশে ব্যাঙ্ক খুলেছে। কিন্তু তারা টাকা তোলার সীমা বেঁধে দিয়েছে।

সূত্র: আলজাজিরা।



সাতদিনের সেরা