kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৩ আশ্বিন ১৪২৮। ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১। ২০ সফর ১৪৪৩

সাপের বিষ দিয়ে করোনা মোকাবেলা সম্ভব : ব্রাজিলের গবেষণা

অনলাইন ডেস্ক   

১ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১৬:৩৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সাপের বিষ দিয়ে করোনা মোকাবেলা সম্ভব : ব্রাজিলের গবেষণা

বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের মহামারির বিরুদ্ধে কার্যকর ওষুধ আবিষ্কারের জন্য চলছে নানা গবেষণা। এর মধ্যে এবার আশার আলো দেখাচ্ছেন ব্রাজিলের একদল গবেষক। তাদের দাবি, দেশটির একটি প্রজাতির সাপের বিষে থাকা উপাদান করোনারোধে বেশ কার্যকর বলে দেখা গেছে। গবেষকরা বলছেন, প্রাথমিকভাবে বানরের কোষের ওপর এ পরীক্ষা চালানো হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, সফলতার দিকে এটিই প্রথম ধাপ।

বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী মলিকিউলসে ওই গবেষণার বিস্তারিত প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে বলা হয়, বানরের শরীরের কোষে জারারাকুসু পিট ভাইপার নামের সাপের বিষে পাওয়া উপাদান করোনাভাইরাসের ক্রমাগত পুনরুৎপাদনক্ষমতা ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত থামিয়ে দিতে সক্ষম।

জারারাকুসু পিট ভাইপার ব্রাজিলের দীর্ঘাকৃতির সাপগুলোর মধ্যে অন্যতম। ব্রাজিল ছাড়াও দক্ষিণ আমেরিকার বলিভিয়া, প্যারাগুয়ে ও আর্জেন্টিনায় এই প্রজাতির সাপের দেখা মেলে। মারাত্মক বিষধর এ সাপ ৬ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে বলে জানা গেছে।

গবেষণায় যুক্ত থাকা গবেষক ব্রাজিলের সাও পাওলো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রাফায়েল গুইদো এই সাপের বিষ করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে কতটুকু কার্যকর সে সম্পর্কে জানিয়েছেন। তিনি জানান, ভাইরাসটির ক্রমাগত পুনরুৎপাদনে মূল ভূমিকা রাখে ভাইরাসটির 'পিএলপ্রো' নামের একটি এনজাইম। সাপের বিষে থাকা 'অ্যামিনো এসিডের চেইন' সেই এনজাইমের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে পুনরুৎপাদনের কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে সক্ষম।

তিনি আরো জানান, বিষে থাকা এই 'অ্যামিনো এসিডের চেইন' গবেষণাগারেই উৎপাদন করা সম্ভব। তাই উপাদানটির জন্য জারারাকুসু পিট ভাইপার সংগ্রহ বা চাষ করতে হবে এমন প্রয়োজন নেই। এদিকে, বানরের শরীরে আরো পরীক্ষা চালানোর পর বিষের উপাদানটি মানুষের কোষের ওপর প্রয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা। তবে কবে থেকে এটি শুরু হবে প্রতিবেদনে তা উল্লেখ করা হয়নি।
সূত্র : রয়টার্স



সাতদিনের সেরা