kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১ আশ্বিন ১৪২৮। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১।৮ সফর ১৪৪৩

১৮ বছর আটকের পর বালি বোমা হামলার ৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন

অনলাইন ডেস্ক   

১ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১২:০১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



১৮ বছর আটকের পর বালি বোমা হামলার ৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন

জঙ্গিবাদী সংগঠনের তৎপরতা ইন্দোনেশিয়ায় নতুন না। ২০০২ সালের আলোচিত বালি হামলার কথা এখনো সবার মনে আছে।  এ ঘটনার সাথে জড়িতদের অনেকে মারা গেছে অনেকে আবার কারাবন্দী। এরমধ্যে দীর্ঘ ১৮ বছর পর হামলায় জড়িত গুয়ানতানামা কারাগারে আটক  তিনজনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা  হয়েছে।

আটক তিনজন হলেন হাম্বালি নামে পরিচিত ইন্দোনেশিয়ান  এনসেপ নুরজামান এবং মালয়েশিয়ার  মোহাম্মদ নাজির বিন লেপ এবং মোহাম্মদ ফারিক বিন আমিন। গেলো ১৮ বছর কোন চার্জ গঠন ছাড়াই  তাদের আটক করে রাখা হয়েছিলো।

প্রধান আসামী ইন্দোনেশিয়ার এনসেপ নুরজামান, যিনি হাম্বালি নামে পরিচিত, মালয়েশিয়ার দুই জন মোহাম্মদ নাজির বিন লেপ এবং মোহাম্মদ ফারিক বিন আমিন,  জামিনের কোন আবেদন করেননি। এখন পর্যন্ত    বিচারের কোন তারিখও নির্ধারণ করা হয়নি। প্রতিরক্ষা আইনজীবীরা বলছেন, সম্ভাব্য সাক্ষী মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন এবং সহযোগী হিসেবে নামধারী কিছু মানুষকে ইন্দোনেশিয়ায় মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে অথবা তারা নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন।

উল্লেখ্য ইন্দোনেশিয়ার আদালতে যিনি অনুবাদক হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি বলেছিলেন, সরকার এই সন্ত্রাসীদের পিছনে টাকা নষ্ট করছে,  অনেক আগেই তাদের হত্যা করা উচিত ছিলো।  এর উত্তরে প্রতিরক্ষা আইনজীবীরা তাকে পক্ষপাতদুষ্ট বলেছিলেন এবং প্রক্রিয়াটি বন্ধ করার চেষ্টা করেছিলেন, যা ইতিমধ্যে করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে ছয় মাস বিলম্বিত হয়েছে। এদিকে স্থানীয় নৌবাহিনীর বিচারক, কমান্ডার হেইস সি লারসেন বলেন, পেন্টাগন প্রদত্ত ওই অনুবাদক যোগ্য ছিলেন।

বিন লেপের আইনজীবী ব্রায়ান বাউফার্ড বলেন, অনুবাদগুলো ত্রুটিপূর্ণ ছিলো এবং তাকে সাহায্য করার জন্য কোন দোভাষী ছিলো না। আইনজীবীদের মতে, তিনজন আসামিকেই যখন প্রথম আটক করা হয় তখন তারা  সি.আই.এর নির্যাতনের শিকার হন। হাম্বালির প্রধান আইনজীবী জেমস হডস বলেন, "তিনজনের জন্য  অনুবাদক এবং দোভাষী পেতে তাদের ১৮ বছর সময় লেগেছে, এই প্রক্রিয়া খুবই ত্রুটিপূর্ণ।"

২০০২ সালের ১২ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ার  বালি দ্বীপে  আত্মঘাতী হামলায় কমপক্ষে ২০২ জন নিহত হয়। আহত হন আরো দুই শতাধিক মানুষ। হতাহতদের মধ্যে ২০টি দেশের নাগরিক ছিলেন।



সাতদিনের সেরা