kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ আশ্বিন ১৪২৮। ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৩ সফর ১৪৪৩

অশান্তির জেরে রাজ্যসভা মুলতবি, তৃণমূলের বিরুদ্ধে দরজা ভাঙার অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক   

৬ আগস্ট, ২০২১ ০৮:৩৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



অশান্তির জেরে রাজ্যসভা মুলতবি, তৃণমূলের বিরুদ্ধে দরজা ভাঙার অভিযোগ

তৃণমূলের সাসপেন্ড হওয়া ছয় সাংসদের মধ্যে তিন জনকে রাজ্যসভায় ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তার জেরে গতকাল বৃহস্পতিবার আবারো অশান্তি শুরু হয় ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যসভায়। 

বিরোধীদের প্রতিবাদের জেরে দফায় দফায় মুলতবি হয়ে গেল অধিবেশন। অন্য দিকে, সরকার পক্ষের পক্ষ থেকে রাজ্যসভার কাচের দরজা ভাঙার অভিযোগ তোলা হয়েছে তৃণমূল সাংসদ অর্পিতা ঘোষের বিরুদ্ধে। যদিও তা নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি অর্পিতা।

দলের তিন সাংসদকে বুধবার রাজ্যসভায় ঢুকতে না দেওয়ার ঘটনা নিয়ে তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায় বৃহস্পতিবার অধিবেশনে মুখ খোলেন। 

তার পর কংগ্রেস-সহ বিরোধী সাংসদরা প্রতিবাদ শুরু করেন। সেই সঙ্গে পেগাসাস-কাণ্ড নিয়ে আলোচনার দাবিতে ওয়েলে নেমে স্লোগান দিতে থাকেন তারা। 

হট্টগোলের জেরে তিন দফায় সভা মুলতবি হয়ে যায়। রাজ্যসভায় কংগ্রেসের নেতা মল্লিকার্জুন খড়গে বলেন, নিয়ম বহির্ভুত ভাবে বাধা দেওয়া হয়েছে তিন তৃণমূল সাংসদকে।

এর আগে পেগাসাস-কাণ্ড নিয়ে হট্টগোলের অভিযোগে বুধবার রাজ্যসভা থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল তৃণমূলের ছয় জন সাংসদ— দোলা সেন, নাদিমুল হক, মৌসম নুর, শান্তা ছেত্রী, আবিররঞ্জন বিশ্বাস এবং অর্পিতা ঘোষকে। 

তৃণমূলের দাবি, বুধবার অধিবেশন মুলতবি হওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী সাসপেনশনের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। তাদের অভিযোগ, অধিবেশন মুলতবি হওয়ার পর বুধবার বিকেলে তিন সাংসদ অধিবেশনকক্ষ লাগোয়া চেম্বারে ঢুকতে গিয়েছিলেন। 

তাদের মধ্যে ছিলেন অর্পিতা এবং দোলা সেন-সহ তিন জন নারী সাংসদ। কিন্তু ওই নারী সাংসদরা ঢুকতে গেলে মার্শাল তাদের বাধা দেন।

অভিযোগ উঠেছে, সে সময় মার্শালের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়েন তিন তৃণমূল সাংসদ। তাদের মধ্যে এক জন অধিবেশন কক্ষের একটি কাচের দরজা ভেঙে দেন। 

রাজ্যসভায় বিজেপির সহকারী দলনেতা মুখতার আব্বাস নকভির অভিযোগ, দরজা ভেঙেছেন সাংসদ অর্পিতা। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটের গুন্ডামির পুনরাবৃত্তি এবার সংসদে ঘটাতে চাইছে তৃণমূল।

তৃণমূলের রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন টুইটারে ঘটনার কথা জানিয়ে লেখেন, বুধবার ১১টা ১০-এ সরকার পক্ষ ফের পেগাসাস নিয়ে আলোচনায় অসম্মতি জানানোয় ৩০ জন সাংসদ ওয়েলে নেমে প্রতিবাদ জানান। ১১টা ১৩ মিনিটে প্ল্যাকার্ড তোলার অভিযোগে ছয় জন সাংসদকে দিনের মতো সাসপেন্ড করা হয়। ৩টা ৩৫ মিনিটে দিনের মতো সভা মুলতবির পরে তিন সাংসদ (যাঁদের সাসপেনশনের মেয়াদ শেষ হয়েছে) অধিবেশন কক্ষে ঢুকতে যান। পুরুষ মার্শালেরা তাদের বাধা দেন।
সূত্র : আনন্দবাজার।



সাতদিনের সেরা