kalerkantho

রবিবার । ১১ আশ্বিন ১৪২৮। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৮ সফর ১৪৪৩

ছয় বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেছে করাচির এক ব্যক্তি : পুলিশ

অনলাইন ডেস্ক   

২ আগস্ট, ২০২১ ১৬:৩৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ছয় বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেছে করাচির এক ব্যক্তি : পুলিশ

করাচি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া এক সন্দেহভাজন ছয় বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেছে। গত শনিবার জিও নিউজের খবরে এ তথ্য জানানো হয়। গত সপ্তাহের বুধবার সকালে ওই শিশুর মরদেহ একটি মোটা মাদুরে মোড়ানো অবস্থায় পাওয়া যায়। তদন্তকারীরা বলেছিলেন, ময়নাতদন্তে দেখা গেছে যে সে ধর্ষিত হয়েছে এবং তার ঘাড় ভেঙে গেছে।

পুলিশ জানায়, প্রধান সন্দেহভাজন জাকির তার জবানবন্দিতে বলেছে যে তিনি রাত ১১.৩০টার দিকে মেয়েটিকে একটি রিকশায় বসিয়েছিলেন এবং এক ঘণ্টা রিকশা চালিয়েছিলেন। তিনি বলেন, মেয়েকে নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি মদ্যপ ছিলেন। জাকিরের বক্তব্য অনুযায়ী, ধর্ষণের পর ভিকটিম বেঁচে ছিল এবং সে অর্ধচেতন ছিল। তখন সে "হঠাৎ লাফ দিয়ে শিশুটির ঘাড় ভেঙে ফেলেন"। 

গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি জানান, তিনি মেয়েটিকে হত্যার পর একটি আবর্জনার ডোবায় ফেলে দেন এবং বাড়িতে গিয়ে তার স্ত্রীকে জানান যে তিনি যাত্রী নিয়ে ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, সন্দেহভাজন মুলতানের একটি টিকিট কিনে তার জামাকাপড় নিতে বাড়ি গিয়েছিল। তিনি তার স্ত্রীকে বলেন, তিনি সন্তানদের নিয়ে করাচি থেকে পালাতে চান।

গত সপ্তাহে করাচিতে ছয় বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়। এসএসপি কোরঙ্গি শাহজাহান খান জানিয়েছেন, শহরের একটি ময়লা -আবর্জনার ডোবায় তার মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, প্রাথমিক মেডিক্যাল রিপোর্টে চিকিৎসকরা দেখেছেন যে, কোরঙ্গিতে বসবাসকারী মেয়েটিকে খুনের আগে ধর্ষণ করা হয়েছে।

এসএসপি খান বলেন, মেয়েটি রাত ৯টায় তার বাড়ি থেকে খেলার জন্য বেরিয়েছিল, কিন্তু সে বাড়ি ফিরে না আসলে, তখন পরিবার থানায় গিয়ে মামলা দায়ের করে রাত ১২ টার দিকে। তিনি বলেন, "সকাল ৬টায় একটি ময়লা আবর্জনার মধ্যে মেয়েটির মৃতদেহ পাওয়া যায়।" তিনি আরো বলেন, প্রত্যক্ষদর্শীরা পুলিশকে জানায়, একজন রিকশাচালক ছয় বছর বয়সী শিশুটির লাশ সেখানে ফেলে যায়।

সূত্র: জিও নিউজ।



সাতদিনের সেরা