kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ শ্রাবণ ১৪২৮। ৫ আগস্ট ২০২১। ২৫ জিলহজ ১৪৪২

যে গ্রামে কেউ জুতা পরেন না!

অনলাইন ডেস্ক   

৬ জুন, ২০২১ ২১:৩৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



যে গ্রামে কেউ জুতা পরেন না!

ভারতের তামিলনাড়ুর পাহাড়ের কোলে এক গ্রাম। সেখানে নাকি কেউ জুতা পরেন না । অবাক হলেও আসলে এটাই এই গ্রামের বিশেষত্ব। গ্রামটি দক্ষিণ ভারতের প্রসিদ্ধ তামিলনাড়ুর কোদাইকানালের কাছাকাছি অবস্থিত। গ্রামটির নাম “ভেল্লাগাভি”। গ্রামটি প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো। যদি আপনাকে এই গ্রামের মধ্যে দিয়েই ঘন জঙ্গলে সফর করতে বা ট্রেকিংয়ে যেতে হয় তাহলে আপনাকেও এই রীতি মানতেই হবে।

মূলত গ্রামের মানুষদের কাছে তাদের ধর্মীয় বিশ্বাস বিশাল জায়গা দখল করে রয়েছে। আমরা মোট দুটো উদ্দেশ্যে জুতো পরি। ১. ময়লা থেকে আমাদের দুইটি পা রক্ষা করতে। ২. এটি আমাদের কাছে এখন ফ্যাশনের অন্যতম অঙ্গ হয়ে উঠেছে। তবে অবিশ্বাস্য হলেও আপনাকে মানতেই হবে যে এই গ্রামে কেউই জুতা কিংবা স্যান্ডেল আজ অবধি পরেননি। 

গ্রামটিতে পৌঁছানোর পথটি কিন্তু বেশ দুর্গম। প্রায় ১০০টি পরিবার মিলেমিশে এখানে বাস করে। আপনার পড়ে অদ্ভুত লাগলেও আসলে গ্রামবাসীদের কাছে এই গোটা গ্রামটিই ভগবানের বাসস্থান। এমনটাই তারা মনে করেন। গ্রামের বাড়িগুলি সারিবদ্ধভাবে পরপর বানানো হয়েছে। গ্রামে ঢোকার মূলেই একটি মন্দির দেখতে পাবেন পর্যটকরা। সেই মন্দির পেরোনোর পর থেকেই আর কেউ গ্রামে জুতা পরেন না।

তাই আপনিও পরতে পারবেন না জুতা। এই ছোট্ট গ্রামে ২৫টি মন্দির রয়েছে যেখানে ১৫০ জন মতো বাস করেন। বাড়িরগুলির মাঝে মাঝেই একটি করে মন্দির পাবেন। প্রতিটি মন্দিরের সামনে অন্তত একজন করে ব্যক্তিকে দেখবেন নতজানু হয়ে প্রার্থনা করছেন। গ্রামটিতে মন্দিরের সংখ্যা সেখানকার বাড়ির সংখ্যাকে ছাড়িয়ে গিয়েছে।

এমনকি গ্রামটিতে প্রবেশ করার মুখেই জুতার বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতে একটি বোর্ডে লেখা রয়েছে যে গ্রামে প্রবেশের আগে দয়া করে জুতো খুলে রাখবেন। যদিও বেশ কিছুটা সময় পর্যন্ত এই রীতি কঠোরভাবে তারা মানত। কিন্তু এখন তারা পর্যটকদের একটি নির্দিষ্টি জায়গা পর্যন্ত জুতো পরে আসার অনুমতি দেয়। এছাড়াও ওই গ্রামের বার্ষিক মন্দির উৎসবটিও যথেষ্ট জনপ্রিয় সেখানে।

সূত্র: কলকাতা ২৪।



সাতদিনের সেরা