kalerkantho

মঙ্গলবার । ৮ আষাঢ় ১৪২৮। ২২ জুন ২০২১। ১০ জিলকদ ১৪৪২

গঙ্গা-যমুনায় দেড় শতাধিক মৃতদেহ কোনো বড় ঘটনা নয় : সায়ন্তন বসু

অনলাইন ডেস্ক   

১১ মে, ২০২১ ১৬:২০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



গঙ্গা-যমুনায় দেড় শতাধিক মৃতদেহ কোনো বড় ঘটনা নয় : সায়ন্তন বসু

ভারতের বিহারে গঙ্গা ও যমুনা নদীতে দেড় শতাধিক মৃতদেহ ভাসতে দেখা গেছে। দেহগুলো করোনায় আক্রান্তদের মৃতদেহ বলেই ধারণা করা হচ্ছে। বিজেপি শাসিত রাজ্যটিতে এ দৃশ্য সমগ্র ভারতবাসীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে এ ঘটনা পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির কাছে কোনো বড় ঘটনা নয়। রাজ্যটির বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু মন্তব্য করে বলেছেন, ‘সত্যি-মিথ্যা জানি না। মনে হচ্ছে সরকারের বদনাম করার জন্য এসব রটানো হচ্ছে। এগুলো কোনো বড় ঘটনা নয়।’

গঙ্গা নদীতে ভাসছে পচা-গলা মৃতদেহ। কোনোটা আবার অর্ধেক পোড়া। গতকাল সোমবার ভারতের বিহারের বক্সার জেলার চৌসায় এই চিত্র দেখা গেছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, যাঁদের মরদেহ পাওয়া গেছে, তারা প্রত্যেকেই করোনায় আক্রান্ত। এর ফলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে ওই এলাকায়। স্থানীয়দের ধারণা, গঙ্গার উল্টো পাড়ে রয়েছে উত্তরপ্রদেশ, ওই দিক থেকেই ভেসে এসেছে দেহগুল। তাদের দাবি, এই এলাকায় একসঙ্গে এত মানুষের মৃত্যু হওয়া সম্ভব নয়। স্থানীয় প্রশাসনের ধারণা, এগুলো বিভিন্ন এলাকায় করোনায় আক্রান্তদের মৃতদেহ, যা তাদের পরিবার দাহ করতে বা শেষকৃত্য করতে পারেনি, তারাই নিজের পরিজনের মৃতদেহ গঙ্গায় ভাসিয়ে দিয়েছে ৷

প্রসংগত, গত রবিবার যোগী আদিত্যনাথের রাজ্যের হমিরপুর জেলায়ও এমন দৃশ্য চোখে পড়েছে। গত রবিবার সকালে হমিরপুর গ্রামের বাসিন্দারা যমুনা নদীতে একাধিক মৃতদেহ ভাসতে দেখেন। এরপরই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা জানান, হরিমপুরসহ আশপাশের এলাকায় করোনা সংক্রমণের হার অত্য়ন্ত বেশি। এ এলাকায় করোনায় মৃত্য়ুর পরিমাণ এতটাই বেশি যে শ্মশানে দেহ পোড়ানোর ব্য়বস্থা করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এ অবস্থায় ফাঁকা মাঠে মৃতদেহ পোড়ানো হচ্ছে। অনেকে দেহ সৎকার না করে যমুনার পানিতে ভাসিয়ে দিচ্ছেন। অনেকে আবার স্থানীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে দেহ ভাসিয়ে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন। তাদের দাবি, বেশ কিছু গ্রামের মানুষ শ্মশানে না পুড়িয়ে, ফাঁকা মাঠে দেহ পোড়াচ্ছে। সব কিছু দেখেও চুপ রয়েছে প্রশাসন।

চৌসার জেলা প্রশাসনের অফিসার অশোক কুমার জানান, চৌসার মহাদেব ঘাটে অন্তত ৪০ থেকে ৫০টি দেহ ভেসে উঠেছে। আর এক শীর্ষ অফিসার কে কে উপাধ্যায় জানিয়েছেন, পাঁচ থেকে সাত দিন দেহগুলো জলে ভাসছে। উত্তরপ্রদেশের বাহরাইচ, এলাহাবাদ না বারানসি থেকে এগুলো ভেসে আসছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে দেহ অবশ্যই বিহারের নয়। কারণ এখানে মরদেহ পানিতে ভাসিয়ে দেওয়ার রীতি নেই।

সূত্র : কলকাতা ২৪।



সাতদিনের সেরা