kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১০ আষাঢ় ১৪২৮। ২৪ জুন ২০২১। ১২ জিলকদ ১৪৪২

চীনে ২০১২ সালের তুলনায় বিবাহিত অসুখী নারীর সংখ্যা বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি

অনলাইন ডেস্ক   

৬ মে, ২০২১ ১৪:০২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চীনে ২০১২ সালের তুলনায় বিবাহিত অসুখী নারীর সংখ্যা বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি

চীনে বিবাহিত নারীদের মধ্যে হতাশা বেড়েই চলেছে। সেই সঙ্গে সে দেশে বিয়ে করে হতাশ হওয়া নারীর সংখ্যাও বেড়ে যাচ্ছে। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, চীনে প্রতি পাঁচ জনে একজন নারী গত বছর জানিয়েছেন, বিয়ে করে ভুল করেছেন। 

এছাড়া দেশটিতে পারিবারিত সহিংসতা বৃদ্ধি, পারিবারিক দায়বদ্ধতা নিয়ে উদ্বেগ তাদের বৈবাহিক সম্পর্কের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সন্দেহ জাগিয়ে তুলেছে।

লিউ ফাং নামে এক নারী উইবো-তে লিখেছেন, আমার জীবনে সবচেয়ে বেশি অনুশোচনার বিষয় হলো বিয়ে করা আর বাচ্চা নেওয়া। একা থাকা কতই-না ভালো! 

তার এই পোস্টে নিঃসন্দেহে চীনে বিবাহিত নারীদের হতাশার চিত্র ফুটে উঠেছে। ৩৮ বছর বয়সী লিউ বিয়ে করেছেন সাত বছর আগে। ছয় বছরের এক ছেলে আছে তার। 

বিয়ের আগে তিনি ভেবেছিলেন, বিয়ে করলে তার সুখ দ্বিগুণ হয়ে যাবে এবং দুঃখ কমে যাবে। কিন্তু বিয়ের এই সাত বছরে কেবল হতাশা জমা হয়েছে তার অভিজ্ঞতার ঝুলিতে। এক সাক্ষাৎকারে নিজেই তা জানিয়েছেন লিউ।

তিনি আরো বলেছেন, আমি তিনবার চাকরি ছেড়েছি। অফিসের কাজ, বাড়িতে ঝামেলা পোহানো এবং বাচ্চা সামলানো- সবমিলিয়ে বারবার কেবল স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের কথাই চিন্তা করেছি।

লিউ মনে করেন, বিয়ে করার কারণে জীবন থেকে আনন্দ হারিয়ে গেছে। তবে পারিবারিক সহিংসতা নিয়ে সে দেশে বর্তমানে সচেতনতা কিছুটা বেড়েছে। বিশেষ করে নারীরা বিচ্ছেদের আবেদন বেশি হারে জানানোর জেরে এমনটা ঘটেছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

নারীদের এ ধরনের হতাশার কারণ নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও সম্প্রতি এক জরিপে উঠে এসেছে, বিয়ের পর চীনে নারীরা অসুখী হয়ে যাচ্ছে।

গত বছর ২০ শতাংশ বিবাহিত নারী জানিয়েছেন, বিয়ে করে তারা হতাশ। ২০১৭ সালে এই মন্তব্য ছিল ১২ শতাংশ নারীর এবং ২০১২ সালে তা ছিল ৯ শতাংশ।
সূত্র : সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট



সাতদিনের সেরা