kalerkantho

সোমবার । ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১৭ মে ২০২১। ০৪ শাওয়াল ১৪৪

ডাক্তারকে চড় মারলেন নার্স, ছড়িয়ে পড়েছে ভিডিও

অনলাইন ডেস্ক   

২৯ এপ্রিল, ২০২১ ১৪:১৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ডাক্তারকে চড় মারলেন নার্স, ছড়িয়ে পড়েছে ভিডিও

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে হাসপাতালগুলোতে নেই পর্যাপ্ত আইসিইউ, এমনকি কোনো বেডও খালি পাওয়া যাচ্ছে না। অক্সিজেনের অভাবে চোখের সামনেই ছটফট করতে করতে মারা যাচ্ছেন প্রিয়জন। 

এমন পরিস্থিতিতে যোগী আদিত্যনাথের উত্তর প্রদেশে চিকিৎসককে চড় মেরে ভাইরাল হয়েছেন এক নার্স। সোমবার উত্তর প্রদেশের রামপুর জেলা হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে বলে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে।  

খবরে বলা হয়, এক চিকিৎসাধীন রোগীর মৃত্যু হলে তার পরিবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে সার্টিফিকেট চায়। এই কাজের জন্য গেলে নার্সকে সবকিছু লিখিতভাবে জমা দিতে বলেন চিকিৎসক।

কিন্তু চিকিৎসক তাকে অনুরোধ করেন, মৃত্যু সনদ নিতে হলে আগে লিখিতভাবে আবেদন করতে হবে। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। 

প্রথমে তর্কাতর্কি শুরু হয়। এরপর নার্স বলে ওঠেন, 'তোর কত ক্ষমতা?' এরপরেই সজোরে চড়। চড় খেয়ে মাস্ক খুলে যায় চিকিৎসকের। তিনি উল্টো চড় চালান।

এ সময় এক পুলিশ সদস্য এবং হাসপাতালের আরো বেশ কিছু কর্মী পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। পরে তারা মারামারি থামিয়ে দেন। রামপুর পুলিশ বলেছে, তারা এখনও এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পায়নি। অন্যদিকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রবীন্দ্র কুমার ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
এ অবস্থায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলেছে, অত্যধিক কাজের চাপে এমন ঘটনা ঘটেছে। হাসপাতালের চিকিৎসক এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী কাজ করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। 

এদিকে ভারতে করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে। অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লাখ ৬০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। মঙ্গলবারের তুলনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৩৭ হাজার। পাশাপাশি গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে তিন হাজার ২৯৩ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ১৭ লাখের বেশি। সংক্রমণ হারও ছাড়িয়েছে ২০ শতাংশ। অর্থাৎ দেশে করোনা পরীক্ষা হওয়া পাঁচজনের মধ্যে একজনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। এর মধ্যেই দেশজুড়ে চলছে টিকাদান কর্মসূচি।

ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো বলছে, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে দিল্লিতে প্রতিদিন প্রায় সাড়ে তিন শ করে কভিড রোগী মারা যাচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে ভারতীয় অন্যতম আধুনিক এ শহরের সব শ্মশানে উপচে পড়ছে মৃতদেহে। 

কভিড আক্রান্ত হওয়ায় অন্ত্যেষ্টিতে পাওয়া যাচ্ছে না পরিবারের লোকজন। অনেকে লাশের খবরও নিচ্ছেন না। ফলে সৎকারের লোকেরও অভাব পড়েছে।



সাতদিনের সেরা