kalerkantho

বুধবার । ২৯ বৈশাখ ১৪২৮। ১২ মে ২০২১। ২৯ রমজান ১৪৪২

মিয়ানমারের পূর্বাঞ্চলীয় থাই সীমান্তে সংঘর্ষ

অনলাইন ডেস্ক   

২৭ এপ্রিল, ২০২১ ২১:০৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মিয়ানমারের পূর্বাঞ্চলীয় থাই সীমান্তে সংঘর্ষ

মিয়ানমারের পূর্বাঞ্চলীয় থাই সীমান্তে তাতমাদাও বলে পরিচিত দেশটির সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সংখ্যালঘু কারেন জনগোষ্ঠীভুক্ত সশস্ত্র সংগঠনের জোরালো সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে কারেন বিদ্রোহীরা সীমান্তে তাতমাদাওয়ের এক চৌকিতে হামলার পর এই সংঘর্ষ শুরু হয়।

কারেন স্বায়ত্তশাসনকামী কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়নের (কেএনইউ) পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রধান সাও তাও নি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, থাই সীমান্তে মিয়ানমারের এক সামরিক চৌকিতে তারা মঙ্গলবার ভোরে আক্রমণ করে তা দখল করেছেন।

তিনি জানান, কেএনইউ যোদ্ধারা ওই চৌকিটি দখলের পর তা জ্বালিয়ে দিয়েছে। অন্য আরো বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ চলছে বলে সাও তাও নি জানান। তবে কোথায় কোথায় সংঘর্ষ হচ্ছে এবং সংঘর্ষে কী হয়েছে, তা নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি তিনি। সীমান্তের সালউইন নদীর দুই পাড়ের বাসিন্দারা এর আগে প্রচণ্ড গোলাগুলির কথা জানান। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জঙ্গলাকীর্ণ পাহাড়ি ওই স্থানে আগুন ও ধোঁয়া উড়তে থাকার ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।

এদিকে থাইল্যান্ডের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় সীমান্তবর্তী মাই হঙ সন প্রদেশের এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, মিয়ানমার সীমান্তের থাই মাই সাম লিপ গ্রামের বিপরীতে অবস্থিত মিয়ানমারের সামরিক চৌকিতে প্রচণ্ড সংঘর্ষ চলছে। তিনি বলেন, 'আমাদের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা পরিস্থিতির পর্যবেক্ষণ করছেন তবে থাই সীমান্তে এখনো পর্যন্ত কোনো প্রভাবের প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি।' সীমান্তের এই সংঘর্ষে থাইল্যান্ডের ভূমিতে একজন সামান্য আহত হয়েছেন বলে ওই কর্মকর্তা জানান।

তবে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী সংঘর্ষের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। তাতমাদাও ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের পর দেশটিতে ভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভে সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠীর সায়ত্তশাসনকামী বিভিন্ন সশস্ত্র সংগঠন সমর্থন দিয়ে আসছিল। বিক্ষোভের সমর্থনে এর আগেও মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী বিভিন্ন সামরিক অবস্থানে হামলা চালিয়ে আসছে এই সংগঠনগুলো।

এর আগে গত শনিবার ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা আসিয়ানের বৈঠকে মিয়ানমারের পরিস্থিতির উন্নতিতে অবিলম্বে সহিংসতা বন্ধসহ পাঁচ দফা দাবিযুক্ত প্রস্তাব করেন সংস্থাভুক্ত দেশের নেতারা। মিয়ানমারের সামরিক জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইং এই সম্মেলনে অংশ গ্রহণ করেন।

সূত্র : আলজাজিরা।



সাতদিনের সেরা