kalerkantho

শুক্রবার। ৩১ বৈশাখ ১৪২৮। ১৪ মে ২০২১। ০২ শাওয়াল ১৪৪২

ফ্লয়েড হত্যায় পুলিশ কর্মকর্তা ডেরেক দোষী সাব্যস্ত

অনলাইন ডেস্ক   

২২ এপ্রিল, ২০২১ ১১:৪৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ফ্লয়েড হত্যায় পুলিশ কর্মকর্তা ডেরেক দোষী সাব্যস্ত

কৃষ্ণাঙ্গ যুবক জর্জ ফ্লয়েডের গলায় হাঁটু দিয়ে চেপে ধরেছিলের শ্বেতাঙ্গ পুলিশ কর্মকর্তা ডেরেক চাওভিন। তিনি বলেছেন, আর্তনাদ করতেও তো অক্সিজেন লাগে। তাহলে সে নিঃশ্বাস নিতে পারল না কেন!

৪৫ বছর বয়সী এই সাবেক পুলিশ কর্মকর্তাকে ফ্লয়েড হত্যা মামলায় গত মঙ্গলবার দোষী সাব্যস্ত করল মিনেসোটার একটি আদালত। ‘অনিচ্ছাকৃত খুন’, ‘অসতর্কতা থেকে খুন’ এবং ‘নরহত্যা’- এই তিন ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে চাওভিনকে। 

অন্তত ৪০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে তার। জুরি রায় ঘোষণার পর মিনিয়াপোলিস থেকে ২৫ মাইল দূরে স্টিলওয়াটারের সংশোধনাগারে নিয়ে যাওয়া হয় এই সাবেক পুলিশ কর্মকর্তাকে। আট সপ্তাহ পর তার সাজা ঘোষণা করা হবে।

গত বছর ২৫ মে ঘটনাটি ঘটেছে। পাড়ার একটি দোকানে গিয়েছিলেন ৪৬ বছর বয়সী ফ্লয়েড। অভিযোগ রয়েছে, দোকানে একটি ২০ ডলারের জাল নোট চালানোর চেষ্টা করেছিলেন তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ আসে। দোকানের সামনে ফ্লয়েডকে আটকায় তিন পুলিশ কর্মকর্তা। 

তারপর ফ্লয়েডকে মাটিতে ফেলে হাঁটু দিয়ে তার গলা চেপে ধরেন ডেরেক চাওভিন। ৯ মিনিট ২৯ সেকেন্ড এভাবেই ফ্লয়েডকে চেপে ধরে রাখেন তিনি। 

এই সময়ে অন্তত ২৭ বার ‘নিঃশ্বাস নিতে পারছি না’ বলতে বলতে থেমে যান ফ্লয়েড। সে কথায় কর্ণপাত করেনি ডেরেক বা তার সহকর্মীরা।

একদম নিশ্চুপ হয়ে যাওয়ার পরে ফ্লয়েডকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। সেখানে মৃত বলে ঘোষণা করা হয় ফ্লয়েডকে। পুলিশ ওই দিনই বিবৃতি দিয়ে জানায়, আটকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল ফ্লয়েড। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতেই আঘাত লেগেছিল তার।

পুলিশের এই বিবৃতি যে সম্পূর্ণ ভ্রান্ত, তা প্রমাণ হয়ে যায় পরের দিনই। একজন তার মোবাইলে ধারণ করা ভিডিও পোস্ট করে ইন্টারনেটে। আগের দিন ঘটনাস্থলেই ছিল ওই ব্যক্তি। 

ডেরেক যখন হাঁটু দিয়ে ফ্লয়েডকে চেপে ধরেছিলেন, তখন সেই ভিডিও তুলে রেখেছিল মেয়েটি। যে ভিডিও থেকে স্পষ্ট হয়ে যায় যে, সে দিন কোনো রকম বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেননি ফ্লয়েড।
সূত্র : বিবিসি



সাতদিনের সেরা