kalerkantho

রবিবার । ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১৩ জুন ২০২১। ১ জিলকদ ১৪৪২

মোদির বাংলাদেশ সফর আঞ্চলিক রাজনীতির নতুন পথ তৈরি করবে : মির্জা

অনলাইন ডেস্ক   

২৪ মার্চ, ২০২১ ১৩:৩৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মোদির বাংলাদেশ সফর আঞ্চলিক রাজনীতির নতুন পথ তৈরি করবে : মির্জা

বাংলাদেশে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আসন্ন  সফর আঞ্চলিক রাজনীতির এক নতুন অধ্যায় তৈরি করবে বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের মানবাধিকারকর্মী আইয়ুব মির্জা।  বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে আগামী ২৬ মার্চ মোদি বাংলাদেশে আসছেন। করোনা পরিস্থিতিতে গেল ১৫ মাসের মধ্যেই এবার প্রথম তিনি ভারতের বাইরে সফর করবেন।

মির্জা বলেন, ‘এরই মধ্যে করোনার ভ্যাকসিন তৈরি করেছে ভারত এবং নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে তা প্রতিবেশী দেশগুলোতেও পাঠিয়েছে। মোদির নেতৃত্বে ভারত প্রতিবেশী দেশগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছে। পাকিস্তান যখনই ভ্যাকসিন চেয়েছে, তখনই কোনো কিছু চিন্তা না করে ভারত সাহায্য করেছে। ভারত যে কোনো বৈষম্য রাখে না এ থেকেই বোঝা যায়। এমনকি কাশ্মীরে বিপর্যয় সৃষ্টিকারী সন্ত্রাসী গ্রুপকেও তারা আশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে।’

পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে মির্জা বলেন, ‘আঞ্চলিক পররাষ্ট্রনীতির কথা বললে ভারতই সবচেয়ে ভালো উদাহরণ। উদাহরণস্বরূপ, ১৯৪৯ সালে চীনা কমিউনিস্ট পার্টি ক্ষমতা দখলের পরের দিকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী পাঁচটি নীতিমালা প্রণয়ন করেন। পাঁচটি নীতিমালা ছিল একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার, সার্বভৌমত্বের পারস্পরিক সম্মান, পারস্পরিক আগ্রাসন, সাম্যতা, পারস্পরিক সুবিধা এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আহ্বান জানিয়েছিল।’ মির্জা আবারও বলেন, মোদির আগামী ২৬ মার্চ বাংলাদেশ সফর দুদেশের পারস্পরিক সম্পর্ক আরো জোরদার করবে।

সফরের প্রথমে মোদি গোপালগঞ্জে যাবেন, যেখানে পাকিস্তানের নিপীড়ন থেকে বাঙালি জাতির মুক্তির জন্য সংগ্রাম শুরু হয়েছিল।  প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনার প্রশংসা করে মির্জা বলেন, আইএসআই  ভারতবিরোধী উপাদানসমূহ সরবরাহ করা এবং পাকিস্তানপন্থী কয়েকটি গোষ্ঠী বাংলাদেশে সক্রিয় থাকা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার ভারতের সন্ত্রাসবিরোধী কৌশলকে সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করে আসছে। অনেক আগে থেকেই ভারত-বাংলাদেশ শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে একসঙ্গে লড়াই করে আসছে।



সাতদিনের সেরা