kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৯ বৈশাখ ১৪২৮। ২২ এপ্রিল ২০২১। ৯ রমজান ১৪৪২

মিয়ানমারে রাতভর ধরপাকড়, ভোরে জনসমুদ্র

অনলাইন ডেস্ক   

৭ মার্চ, ২০২১ ১৫:৫৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মিয়ানমারে রাতভর ধরপাকড়, ভোরে জনসমুদ্র

মিয়ানমারের ইয়াংগুনের কিছু এলাকায় রাতভর ধরপাকড় চালিয়ে অং সান সুচির রাজনৈতিক দলের অনেককেই গ্রেপ্তার করেছে জান্তা সরকার। তবে জান্তা কর্তৃপক্ষের এই দমনপীড়ন উপেক্ষা করেই সেনা অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে আজ রবিবার হাজার হাজার লোক রাস্তায় বিক্ষোভ করেছে।

এছাড়া গতকাল শনিবার সরকারি সংবাদ মাধ্যমে ঘোষণা করা হয়, সরকারি চাকরিজীবীরা অব্যাহতভাবে কাজ বয়কট করতে থাকলে তাদেরকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হবে। আগামীকাল সোমবার থেকে এ পদক্ষেপ কার্যকর হবে বলে হুশিয়ারি দেওয়া হয়। কিন্তু বিক্ষোভকারীরা কর্তৃপক্ষের হুমকি উপেক্ষা করেই ইয়াংগুনের অন্তত সাতটি এলাকায় এবং আরো পাঁচটি শহর ও আঞ্চলিক শহরে তাদের সমাবেশ অব্যাহত রেখেছে।

মিয়ানমারের দ্বিতীয় বড় শহর মান্দালয়ে বিক্ষোভ শুরুর আগে দুই মিনিট নীরবতা পালন করেছেন আন্দোলনকারীরা। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর গুলিতে নিহতদের স্মরণে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। রবিবার সকাল থেকে লাখ লাখ বিক্ষোভকারী জড়ো হয়েছে মিয়ানমারের রাস্তায়। গত একমাসের বিক্ষোভে এত লোক কখনো দেখা যায়নি। যথারীতি ইয়াঙ্গুন ও মান্দালয়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছে আন্দোলনকারীদের। ফেসবুকে পোস্ট হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, লাসিও শহরে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও স্টান গ্রেনেড ছুঁড়ছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের কথা জানা যায়নি।

ডাউই শহরে বিক্ষোভকারীদের এক নেতা বলেন, নিরাপত্তা বাহিনী পাখির মতো আমাদের গুলি করছে। তাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ না করে অন্য কিছু করার আছে? আমাদের বিদ্রোহ করতেই হবে। ইয়াঙ্গুনে কমপক্ষে তিনটি স্থানেও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সৈন্য ও পুলিশ রাতারাতি বেশ কয়েকটি এলাকায় গুলি চালিয়ে দ্রুত সরে পড়ে। তারা কিউকতাডা থেকে কমপক্ষে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে বলে সেখানকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন। তবে গ্রেপ্তারের কারণ জানানো হয়নি।

গত ১ ফেব্রুয়ারি দেশটির গণতান্ত্রিক নেত্রী অং সান সুচিসহ গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের আটক করে সেনাবাহিনী। তাদের মুক্তির দাবি ও সেনা অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে মিয়ানমারে ব্যাপক গণবিক্ষোভ চলছে। বুধবার দেশটিতে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। জাতিসঙ্ঘ বলছে ওই দিন নিরাপত্তা বাহিনীর হামলায় অন্তত ৩৮ জন প্রাণ হারিয়েছে যা এ যাবত সবচেয়ে বেশি সংখ্যক প্রাণহানির ঘটনা।

সূত্র: রয়টার্স।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা