kalerkantho

মঙ্গলবার । ৭ বৈশাখ ১৪২৮। ২০ এপ্রিল ২০২১। ৭ রমজান ১৪৪২

জাতিসংঘের সব দাপ্তরিক ভাষায় বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিষয়ক গ্রন্থ প্রকাশ

বিশেষ প্রতিনিধি, নিউইয়র্ক   

৭ মার্চ, ২০২১ ০৮:৪৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



জাতিসংঘের সব দাপ্তরিক ভাষায় বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিষয়ক গ্রন্থ প্রকাশ

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের ওপর একটি আন্তর্জাতিক বই প্রকাশ হয়েছে। 'দ্য হিস্টোরিক সেভেনথ মার্চ স্পিস অব বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান: অ্যা ওয়ার্ল্ড ডক্যুমেন্টারি হেরিটেজ' নামের বইটিতে জাতিসংঘের সবগুলো দাপ্তরিক ভাষায় বঙ্গবন্ধুর ভাষণ অনুদিত হয়ে অন্তর্ভূক্ত হয়েছে।     

শনিবার সকাল ১০টায় ইউনেস্কো সদর দপ্তরে এ উপলক্ষ্যে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ, স্প্যানিশ, আরবি, রুশ ও চীনা ভাষাভাষী ১২ জন রাষ্ট্রদূত ও ইউনেস্কোতে স্থায়ী প্রতিনিধিরা গ্রন্থটির মোড়ক উন্মোচন করেন।  বাংলাদেশ দূতাবাস, প্যারিস ও ইউনেস্কোতে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন বইটি প্রকাশ করে।  

এর আগে ২০১৭ সালে ঐতিহাসিক ভাষণটি ইউনেস্কো'র মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়। এই প্রথম বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ জাতিসংঘের সকল দাপ্তরিক ভাষায় অনুদিত হলো। 

ইউনেস্কো সদর দপ্তরে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি বিবেচনায় শুধু আমন্ত্রিত অতিথিদের উপস্থিতিতে গ্রন্থটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। তবে দূতাবাসের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

প্রকাশিত গ্রন্থটিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর বাণী অন্তর্ভূক্ত রয়েছে। মোড়ক উন্মোচন করে ইউনেস্কোতে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, আইভোরিকোস্ট, সেনেগাল, স্পেন, কিউবা, সৌদি আরব, মৌরিতানিয়া, কুয়েত, রাশিয়া, চীন ও বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধিরা সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন।

ফ্রান্সে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও ইউনেস্কোতে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি কাজী ইমতিয়াজ তার স্বাগত বক্তব্যের শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। 

তিনি বলেন, ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ ছিল মূলত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা। এ ভাষণ দীর্ঘ নয় মাসের মুক্তি সংগ্রামে মূল অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। তিনি যৌথভাবে এ গ্রন্থ উন্মোচনে অংশগ্রহণকারী সব দেশের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধিদের আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ অনুবাদ এবং প্রকাশনার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকল রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধিগণ তাদের সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সফল নেতৃত্ব প্রদানে এবং বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা স্মরণ করেন। সেই সঙ্গে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনার জন্য ইউনেস্কোতে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। এ বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য বিশ্বময় ছড়িয়ে দেয়ার জন্য এ প্রকাশনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে তারা অভিমত ব্যক্ত করেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা