kalerkantho

শনিবার । ২৭ চৈত্র ১৪২৭। ১০ এপ্রিল ২০২১। ২৬ শাবান ১৪৪২

খাশোগি হত্যাকাণ্ড: যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেদন নিয়ে যা বলছে সৌদি আরব

অনলাইন ডেস্ক   

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৬:২৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



খাশোগি হত্যাকাণ্ড: যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেদন নিয়ে যা বলছে সৌদি আরব

ফাইল ছবি।

সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান ২০১৮ সালে নির্বাসিত সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে হত্যার অনুমোদন দিয়েছিলেন বলে যুক্তরাষ্ট্রর এক গোয়েন্দা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শুক্রবার বাইডেনের প্রশাসন এই সংক্রান্ত প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে।

সেখানে বলা হয়েছে যে, তুরস্কের ইস্তানবুলে গিয়ে খাশোগিকে ‘ধরতে বা খুন’ করতে যে অভিযান চালানো হয়েছিল, যুবরাজ মোহাম্মদ ওই পরিকল্পনার অনুমোদন দিয়েছিলেন। আর সৌদি আরব এই প্রতিবেদনটি প্রত্যাখ্যান করে বলেছে যে এটি ‘নেতিবাচক, মিথ্যা এবং অগ্রহণযোগ্য’। ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ, যিনি কার্যত দেশটির শাসক, তিনিও এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে তার জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।  
 
প্রতিবেদনে কী লেখা আছে?

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ডিরেক্টর অব ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, ‘আমরা ধারণা করছি সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান ইস্তানবুলে সৌদি সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে গ্রেপ্তার বা হত্যার জন্য একটি অভিযানের অনুমোদন দিয়েছিলেন।

গোয়েন্দা প্রতিবেদনটিতে এমন ধারণার পেছনে তিনটি কারণ উল্লেখ করা হয়, যা এটা পরিষ্কার করে যে ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদই ওই অভিযানের অনুমোদন দিয়েছিলেন। প্রথমটি হলো-২০১৭ সাল থেকে সৌদি আরবের সব সিদ্ধান্ত গ্রহণে তার একক নিয়ন্ত্রণ। দ্বিতীয়টি হলো- ওই অভিযানে প্রিন্স মোহাম্মদের একজন উপদেষ্টা সেইসঙ্গে তার প্রতিরক্ষা দলের সদস্যের সরাসরি সম্পৃক্ত থাকা। আর তৃতীয়টি হলো- বিদেশে নির্বাসনে থাকা ব্যক্তিদের মুখবন্ধ রাখতে সহিংস পদক্ষেপ গ্রহণের পক্ষে প্রিন্স মোহাম্মদের সমর্থন দেওয়া। 

এই প্রতিবেদনে খাসোগি হত্যার সাথে জড়িত বা দায়ী ব্যক্তিদের নাম দেওয়া হয়েছে। তবে এতে বলা হয়েছে, খাসোগির ক্ষতি করার পরিকল্পনায় আর কারা কারা সামিল ছিল সেটা এখনও আমরা পুরোপুরি জানি না। সৌদি কর্তৃপক্ষ এই হত্যার পেছনে, একদল এজেন্টকে দোষারোপ করছে, যারা বিরোধীদের বিরুদ্ধে অভিযানে নেমেছিল। এছাড়া সৌদি আদালত প্রাথমিকভাবে পাঁচ ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দিলেও গত সেপ্টেম্বরে বিচারক সেই সাজা কমিয়ে প্রত্যেককে ২০ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে।

২০১৯ সালে, জাতিসংঘের বিশেষ দূত অ্যাগনেস ক্যালামার্ডের অভিযোগ, সৌদি আরব ইচ্ছাকৃতভাবে এবং আগে থেকে পরিকল্পনা করেই খাসোগিকে হত্যা করেছে। সেইসঙ্গে এ ঘটনায় সৌদি আরবের আদালত যে রায় দিয়েছে তা ‘ন্যায়বিচারের পরিপন্থী’ উল্লেখ করে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা